শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১:৫৬
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় বন্ধুকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী গ্রেফতার

ডেস্করিপোর্ট  স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে বন্ধুকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. ইমাম হাসান ওরফে হৃদয়কে (২০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

শনিবার (০৮ জানুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র‌্যাব-৮।

র‌্যাব জানায়, রাজধানী ঢাকার তুরাগ থানাধীন বৃন্দাবন বস্তিতে নিহত রাসেল (২২) ও গ্রেফতার হওয়া হৃদয় (২০) বসবাস করতেন। তারা একে অপরের ছেলেবেলার বন্ধু হওয়ায় পরস্পরের বাসায় যাতায়াত ছিল। এরই সূত্র ধরে হৃদয়ের স্ত্রী নুর আয়েতি আখিনুরের সঙ্গে রাসেলের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার হৃদয় জানান, গত ৪ জানুয়ারি আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টার নিজের বাসায় গিয়ে ঘরের দরজা বাহির বন্ধ দেখতে পান তিনি। এরপর স্ত্রীকে ডাকাডাকি করলে ঘরের দরজা খুলেই হৃদয় তার স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধু রাসেলকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান।

স্ত্রীকে এ অবস্থায় দেখে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন হৃদয়। রাসেলকে জাপটে ধরে কিলঘুষি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে হাতের কাছে একটি ছুরি পেয়ে রাসেলের পিঠে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। হৃদয়ের স্ত্রী নুর আয়েতি আখিনুর বাধা দিতে এলে তিনিও জখম হন।

পরে হৃদয় ঘর থেকে বের হয়ে যান এবং তার শ্বশুরকে জানিয়ে দেন নুর আয়েতি আখিনুর ও রাসেল জখম হয়ে ঘরের মধ্যে পরে আছে।

খবর পেয়ে স্বজনরা আখিনুর ও রাসেলকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাসেলকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় রাসেলের বাবা বাদী হয়ে পরের দিন ৫ জানুয়ারি হৃদয়কে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর হৃদয় ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসযোগে কুয়াকাটায় চলে যান। এরপর তার খালাতো ভাইয়ের শ্বশুরবাড়ি বরগুনার আমতলী থানাধীন আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ গাজীপুর এলাকায় আত্মগোপন করেন। র‌্যাব তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে হৃদয়ের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

আসামি হৃদয় কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার ময়নামতি এলাকার মো. ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে ঢাকার তুরাগ থানার উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরের বৃন্দাবন বস্তিতে বসবাস করতেন।