বুধবার, ৫ই মে, ২০২৬ ইং, রাত ৪:২৪
শিরোনাম :
ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পরও গুলির আঘাতে ভুগছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায়! বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক দুমকিতে শ্রী-শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ১০১ সদস্যের প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন বরিশালে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়,কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেলেন ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মে দিবসে জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

প্রাথমিকে ৫ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

ডেস্করিপোর্ট  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২০ এর লিখিত পরীক্ষা এপ্রিলে পাঁচ ধাপে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১, ৮, ১৫, ২২ ও ২৯ এপ্রিল এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। অধিদপ্তর বলেছে, উল্লিখিত তারিখে সকাল ১০টা/বিকাল ৩টা থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গত ১০ মার্চ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে। ওই চিঠিতে লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের জন্য সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ কতজন পরীক্ষার্থীর আসন ব্যবস্থা করা যাবে- তা আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১০ মার্চ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আগামী এপ্রিলের মধ্যে নিয়োগ পরীক্ষা এবং জুলাইয়ে উত্তীর্ণদের নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সূত্র জানায়, সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গত বছরের ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু করোনা মহামারির বাস্তবতায় নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে অবসরজনিত কারণে আরও দশ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে করে বিদ্যালয়সমূহে শিক্ষক ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যা পাঠদান কার্যক্রমকে ব্যাহত করেছে। এ সমস্যা নিরসনকল্পে মন্ত্রণালয় পূর্বের বিজ্ঞপ্তি শূন্যপদ ও বিজ্ঞপ্তির পরের শূন্যপদ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।