রবিবার, ২রা আগস্ট, ২০২৬ ইং, রাত ৮:০৩
শিরোনাম :
লাকুটিয়ায় খাল খনন প্রকল্পের কোটি টাকা লোপাটের চেষ্টা! সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী হাফপ্যান্ট আর হুডি পরে নেতানিয়াহুর সাথে মার্কিন সিনেটরের বৈঠক চরামদ্দিতে পেনশনের টাকায় গড়া স্বপ্নে আঘাতঃ বিষ প্রয়োগে তিন পুকুরের মাছ নিধন মুসলিম নিকাহ্ রেজিস্ট্রার কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে বরিশালের নবাগত জেলা রেজিস্ট্রারকে কে ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত এক স্বাচিপ নেতাকে হটিয়ে আরেক স্বাচিপ নেতাকে আনলো ড্যাব! জালীলুল কুরআন মাদ্রাসায় হাফেজদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স শেষে সার্টিফিকেট বিতরণ যুবলীগ নেতা,নতুন পরিচয়ে ভিন্ন কায়দায় চাঁদাবাজির রামরাজত্ব কায়েমের চেষ্টা সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: তথ্যমন্ত্রী

বৃদ্ধের লালসায় কন্যা সন্তানের মা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: উপজেলার ভূরুঙ্গামারীতে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছে তবে বাবা হয়নি কেউ। কিশোরীর সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের দাবীতে বিভিন্ন জনের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন কিশোরীর ভিক্ষুক নানী। উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের বেলদহ গ্রামের ঘটেছে ঘটনাটি।

জানা গেছে, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৫) প্রতিবেশী নানা নইমুদ্দিনের (৫৫) লালসার শিকার হয়ে ৫ মাসের অন্তঃসত্ব হয়ে পড়লে ঘটনাটি জানাজানি হয়। কিশোরীটি তার নানীর সাথে থাকতো। বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বারদের মধ্যস্থতায় সমাধানে ব্যর্থ হলে গত জুন মাসে নইমুদ্দিনের নামে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়। মামলা দায়েরের ৪ মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশ অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনতে পারেনি।

এদিকে গত ৩ সেপ্টেম্বর ওই কিশোরী একটি কন্যা সন্তান প্রসব করে। সন্তান জন্মের পর সন্তানের পিতার পরিচয়ের দাবী নিয়ে কিশোরীর নানী মেম্বার-চেয়ারম্যান সহ এলাকার অনেকের কাছে গিয়েছেন তবে কেউই তাকে পাত্তা দেয়নি। গত শুক্রবার বিয়ের দাবী না করা এবং ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশুর দায়িত্ব না নেয়ার শর্তে নইমুদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে কিশোরীর নানীকে ৫০ হাজার টাকায় বিষয়টি মিমাংসার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে জানান কিশোরীর নানী রাবেয়া বেগম। তাদের প্রস্তাবে তিনি রাজি নন। তিনি তার নাতনীর সন্তানের পিতৃ পরিচয় চান।

পাইকেরছড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক সরকার জানান, প্রথম দিকে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযুক্ত প্রথমে রাজি হলেও পরে গা ঢাকা দেয়। তাই মিমাংসা করা সম্ভব হয়নি। এলাকার সচেতন মহল মনে করে শিশুটির ডিএনএ ও অভিযুক্ত ব্যক্তির ডিএনএ পরীক্ষা করলেই সমস্যাটির সমাধান করা সহজ হবে।

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি (তদন্ত) জাহেদুল ইসলাম জানান, আসামী পলাতক রয়েছে তবে তার অবস্থান সম্পর্কে কিছুটা নিশ্চিত হওয়া গেছে। আসামীকে দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।