শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:১৫
শিরোনাম :
সিসা দূষণ প্রতিরোধে বিএম কলেজে সচেতনতামূলক কর্মসূচি নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নেত্রকোনায় প্রকাশ্যে সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপনের প্রতিবাদ বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান ছালেহের পিতার মৃত্যুতে রুহুল কবির রিজভীর গভীর শোক প্রকাশ জনপ্রশাসনের কাজে অসহযোগিতাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হতে হবে:বিসিসি প্রশাসক শিরীন বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন,সভাপতি:ফয়সাল,শিক্ষানুরাগী:মামুন-অর-রশিদ বিএম কলেজে সবুজ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএম কলেজে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত সাংবাদিক নোমানী

নিজস্ব প্রতিবেদক  এবার সাংবাদিক নোমানীকে অপহরণ নয় হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেছে সন্ত্রাসীরা।বরিশালের স্থানীয় দৈনিক শাহনামার প্রধান বার্তা সম্পাদক ও মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মামুনুর রশীদ নোমানীর উপরে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীরা। এতে তার মাথায় প্রায় দশ ইঞ্চি / ছয় ইঞ্চি ক্ষত হয়ে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়েছে।কর্তব্যরত চিকিৎসক আশংকা জনক বলে জানিয়েছেন।

বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অপারেশন শেষে বর্তমানে সার্জারী ওয়ার্ডে অসহ্য যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে সাংবাদিক নোমানী। এ হামলায় তার বৃদ্ধা মা পারুল বেগম এবং বোন লিপি আক্তারও গুরুতর আহত হয়েছেন। ৩ জুন শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে ঝালকাঠীর রাজাপুরের চল্লিশকাহানিয়া শাহরুমীর বাজারে এই হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী মুনসুর মোল্লার ছেলে দুলাল ও আলম, ফেরদাউস, ফজলে হক, কালু মোল্লা, হোসেন আলী, দেলোয়ার সহ প্রায় ১৫/২০ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ আগে থেকেই ওৎ পেতে ছিল। সাংবাদিক নোমানী ঘটনাস্থলে গেলেই তার উপরে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। খবর পেয়ে নোমানীর মা ও বোন তাকে বাঁচাতে গেলে তাদেরকেও কোপায় সন্ত্রাসীরা। তারা তিনজনই এখন মুমূর্ষূ অবস্থায় শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি আছে। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাদেও অবস্থা গুরুতর। সিটি স্ক্যান সহ বেশ কিছু টেষ্ট দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট পেলে বোঝা যাবে।

জানা গেছে, কালিমা তাইয়েবা খচিত একটি তোরণ ভাঙ্গার উদ্যোগ নেয় এলাকার একটি গ্রুপ। সাংবাদিক নোমানী সহ এলাকার সচেতন মহল এর বিরোধীতা করায় সেই তোরণটি ভাঙ্গতে না পেওে ক্ষিপ্ত হয় তারা। দীর্ঘ পরিকল্পনার মাধ্যমে অবশেষে এই হামলার ঘটনা ঘটলো।আহতের স্বজনরা বলেন, তারা নোমানী ও তার মাকে কুপিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রাখে। হত্যা করার উদ্যেশেই তারা এভাবে কুপিয়েছে। বর্তমানে তাদেরও চিকিৎসা চলছে। এদিকে মামলার প্রস্তুতিও চলছে।

এ ব্যাপারে রাজাপুর থানার ওসি পুলক চন্দ্র রায় বলেন, সন্ত্রাসীহামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এখনো কেউ লিখিত কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে এই বর্বর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর বিচার দাবি জানিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ, বরিশাল অনলাইন সাংবাদিক ইউনিয়ন, অনলাইন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, দৈনিক শাহনামা পত্রিকা কর্তৃপক্ষ সহ বরিশালের একাধিক সাংবাদিক সংগঠনগুলো।