ডেক্স রিপোর্ট: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় শ্রেণীর ছাত্রী কে (৮) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।শনিবার সকালে এলাকার কাকড়ি নদী থেকে ছাত্রীর লাশটি উদ্ধার করা হয়।নিহত দীঘি গজারিয়া গ্রামের দেলু মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় উত্তেজিত এলাকাবাসী ধর্ষক মোহাম্মদ আলী বাপ্পিসহ তার সহযোগী ৪ জনের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে। গ্রেফতারের পর পুলিশের কাছে ঘটনায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেছে ধর্ষক বাপ্পি
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত দীঘির পিতা দেলু মিয়ার সঙ্গে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ও মারামারি হয় বখাটে মোহাম্মদ আলী বাপ্পির। ক্ষুব্ধ বাপ্পি এ নিয়ে দেলু মিয়ার কাছ থেকে প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা চালায়। অন্য কোন উপায় না পেয়ে শুক্রবার (১৫ মার্চ) বিকেলে কৌশলে দেলুর স্কুল পড়ুয়া মেয়ে তাহমিদা ইসলাম দীঘিকে অপহরণ করে। রাতে তাকে ধর্ষণ করে- গলায় মুখে উড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ কাকড়ি নদীতে ফেলে দেয়।
সকালে স্থানীয়রা দীঘির লাশ উদ্ধার করে। এবং সন্দেহভাজন বাপ্পিকে আটক করে গণধোলাই দিলে সে পুলিশ এবং স্থানীয়দের কাছে ঘটনার কথা স্বীকার করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা বাপ্পি এবং তার কয়েকজন সহযোগীর বাড়িঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার মূল হোতা বাপ্পিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।