বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:৪০
শিরোনাম :
ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পরও গুলির আঘাতে ভুগছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায়! বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক দুমকিতে শ্রী-শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ১০১ সদস্যের প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন বরিশালে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়,কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেলেন ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মে দিবসে জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

কাঁটাতারের বেড়া ভালোবাসা ভাগ করতে পারেনি

ডেস্করিপোর্ট  শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি সীমান্তের চেকপোস্ট গেট এলাকা ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের পদচারণায় মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

দুই দেশের সীমান্তের জিরোপয়েন্টের অদূরে দুইপাড়ে ভিড় করছেন শত শত মানুষ। তাদের কেউ পূজা দেখতে, আবার কেউ আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপারের সংখ্যাও বেড়েছে দ্বিগুণ। তবে বিজিবি ও বিএসএফের কঠোর নজরদারি দেখা গেছে।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও পিকআপে করে দর্শনার্থী ও ভক্তরা আসছেন হিলি সীমান্তে।

অপরদিকে ভারতের অভ্যন্তরেও বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা আসছেন বাংলাদেশের পূজা দেখতে। কিন্তু সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া এবং বিজিবি ও বিএসএফের কঠোর নজরদারির কারণে এপার থেকে ওপারে যেতে না পারলেও নিজ নিজ দেশের জিরোপয়েন্ট থেকে অদূরে দুই পাশে দাঁড়িয়ে ভারত ও বাংলাদেশের দর্শনার্থীরা একে-অপরকে দেখছেন, ছবি তুলে দুঃখটাকে আনন্দে পরিণত করছেন।

হিলি সীমান্তে আসা শ্রী গণেশ বর্মন, কার্তিক, লক্ষীসহ কয়েকজন দর্শনার্থী বলেন, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে দুই বাংলাকে ভাগ করে দিলেও আমাদের মনকে তো আর ভাগ করতে পারেনি। আগে তো দুই বাংলা একই ছিল। তাই ভালোবাসার টানে, প্রাণের টানে, নাড়ির টানে আমরা ছুটে এসেছি সীমান্তে। এছাড়াও আমাদের অনেক আত্মীয়স্বজন ভারতে রয়েছে। দীর্ঘদিন পর সীমান্তে দুর থেকে এক নজর স্বজনদের সাথে দেখা হয়েছে। আমাদের পাসপোর্ট ভিসা করা নেই যার জন্য ভারতের ভিতরে যেতে পারছি না। যাদের পাসপোর্ট ও ভিসা আছে কেবল তারাই মাত্র সীমান্তে এপার-ওপার হয়ে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন। যাদের পাসপোর্ট ভিসা নেই তারা কেবল দূর থেকে আত্মীয়স্বজনকে দেখছেন।

হিলি সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় পাসপোর্ট যাত্রী শ্রী মনোরঞ্জন গোপাল বলেন, আমি নওগাঁ থেকে এসেছি, ভারত যাচ্ছি পূজা দেখতে। আমাদের বাংলাদেশের চেয়ে ভারতের পূজাগুলো অনেক ভালো হয়। এ কারণে ভারত যাচ্ছি। এরকম অনেক যাত্রী বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাচ্ছেন আবার অনেক যাত্রী ভারত থেকে বাংলাদেশে পূজা দেখতে আসছেন।

এদিকে হিলি ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বদিউজ্জামান বলেন, হিন্দু ধর্মাবলাম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারত থেকে অনেক হিন্দু ধর্মাবলম্বী দর্শনার্থী বাংলাদেশে পূজা দেখতে আসছেন। অপরদিকে বাংলাদেশ থেকেও অনেক যাত্রী ভারতে পূজা দেখতে এবং তাদের আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছেন। এ কারণে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার বেড়েছে।