ডেস্করিপোর্ট পর্যটক ও দর্শনার্থীদের নিরাপদ ভ্রমনের লক্ষ্যে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সদস্যরা।
রবিবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পুলিশ সদস্যদের উদ্যোগে এ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়।

এ সময় ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন,পর্যটক ও দর্শনার্থীদের নিরাপদ ভ্রমনের লক্ষ্যে ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রতিনিয়ত নানা রকম কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় সমুদ্র সৈকতে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হচ্ছে।পর্যটকরা যাতে নিরাপদে ভ্রমন করতে পারে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে তার সকল প্রকার প্রচেস্টা অব্যাহত রয়েছে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দক্ষিনাঞ্চলের জনপদের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। তার সাথে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে দিন দিন পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে।এতে করে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরো বাড়বে।পরিচ্ছন্ন সমুদ্র সৈকতে পর্যটকরা আসলে তাদের মনোবল সুদৃড় হবে এবং নিরাপদে ভ্রমন করতে পারবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন,পর্যটন ক্ষেত্রে অপার সম্ভাবনাময় একটি স্থান হচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত হচ্ছে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।এ সৈকত থেকে সুর্যোদয় ও সুর্যাস্ত অবলোকন করা যায়।তাই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পর্যটকরা ছুটে আসেন।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য মন্ডিত এ দেশে টেকসই উন্নয়নের জন্য টেকসই নিরাপত্তার দরকার।পর্যটন পুলিশ সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। পর্যটন স্পট গুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের সমাগম বেশী হবে, জিডিপি বাড়বে।দেশের অর্থনীতির চাকা আরও সচল হবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল খালেক এর সভাপতিত্বে উক্ত কর্মসূচিতে আরও অংশগ্রহণ করেন টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ, পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম।এছাড়াও ক্যামেরাম্যানদের সভাপতি আল আমিন কাজী,সি ফুড ব্যবসায়ী কাউসার আহমেদ, ছাতা বেঞ্চ ব্যবসায়ী জনি আলমগীর সহ ক্যামেরাম্যান ও বিভিন্ন পেশাজীবী স্টেকহোল্ডারগন স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশগ্রহণ করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন।