বৃহস্পতিবার, ৭ই মে, ২০২৬ ইং, বিকাল ৩:১৮
শিরোনাম :
ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পরও গুলির আঘাতে ভুগছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায়! বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক দুমকিতে শ্রী-শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ১০১ সদস্যের প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন বরিশালে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়,কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেলেন ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মে দিবসে জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

ভোলায় পরকীয়ার জেরে রাজমিস্ত্রীকে খুন, যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত নারী গ্রেফতার

ডেস্করিপোর্ট  ভোলার চরফ্যাশন এলাকা থেকে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত রোজিনা আক্তার (৩০) নামে এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩।

রোববার (৯ অক্টোবর) ভোরে জেলার দক্ষিণ আইচা চরফ্যাশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রোববার (৯ অক্টোবর) র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে দয়াজ মিয়া নামে একজনের সঙ্গে রোজিনার বিয়ে হয়। তাদের বাড়িতে সুমন নামের এক ছেলে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন। ওই সময় সুমনের সঙ্গে রোজিনার অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি পরিবারের লোকজন জানতে পারায় কলহ সৃষ্টি হয়। এরই জেরে ঝগড়ার এক পর্যায়ে রোজিনা, রোজিনার স্বামী ও তার ভাইয়েরা মিলে সুমনকে হত্যা করেন। ওই ঘটনায় দয়াজ মিয়ার ৪ ভাই ও রোজিনাসহ তার পরিবারের ১২ জনের বিরুদ্ধে সিলেট জেলার জালালাবাদ থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। উক্ত মামলায় রোজিনা ছাড়া সব আসামি আত্মসমর্পণ করেন। তারা সবাই জামিনে রয়েছেন। কিন্তু রোজিনা ঘটনার পর পরই পালিয়ে যান।

র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক বলেন, ২০১৮ সালে আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। ঘটনার পর থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি রাজধানীতে আত্মগোপনে ছিলেন। এরই মধ্যে হেলাল উদ্দিন নামের আরেক ব্যক্তির সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১২ সালে হেলাল উদ্দিনকে বিয়ে করে চরফ্যাশন এলাকায় পলাতক জীবনযাপন শুরু করেন।

তিনি বলেন, রোজিনা হেলালকে নিয়ে কিছুদিন রাজধানীর মিরপুরেও বসবাস করেন। পরে চট্টগ্রামের বন্দরটিলা এবং এরপর চরফ্যাশন এলাকায় চলে যান। হেলাল মুদি দোকান দেন। এভাবেই তারা আত্মগোপনে থাকেন। তাদের ৭ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে।

গ্রেফতারের পর রোজিনাকে জালালাবাদ থানায় হস্তান্তরের বিয়ষটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।