শনিবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৩:২০
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে, জীবদ্দশায় ওয়ারিশগণের জমির হিস্যা বুঝিয়ে দিতে হবে: সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদ রানা

ডেস্করিপোর্ট  ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরের সার্কেল এসপি মোঃ মাসুদ রানার সময়োপযোগী নানা পদক্ষেপে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ছে রাজাপুরের সাধারন নাগরিকরা।পাড়া মহল্লায় সামাজিক সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে তার নানামুখী পদক্ষেপ ব্যাপক ভাবে সাড়া জাগিয়ে তুলেছে।

রাজাপুরের সার্কেল এসপি মোঃ মাসুদ রানা জানান, বিগত ২০২১ সালের ২৪ আগস্ট তিনি রাজাপুরের সার্কেল এসপি হিসেবে যোগদান করেন।রাজাপুর ও কাঠালিয়া দুটি থানা মিলে রাজাপুর সার্কেল।প্রতি শুক্রবার রাজাপুর- কাঠালিয়া থানাধীন বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়ে মসজিদে আগত বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে তিনি এলাকার আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কথা বার্তা বলেন।

এ সময় তিনি মুসুল্লিদের উদ্দেশ্যে জমি জমার ভাগ বন্টন নিয়ে কথা বলেন।তিনি বলেন,অল্প একটু জমির জন্য দুই তিন জেনারেশন মামলা মোকদ্দমায় লড়ে তাও কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়েনা অথচ জমি নিয়ে দন্দ থাকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপন রক্তের কারো সাথে।

পিতা-মাতা জীবীত থাকা কালীন সময় যদি সন্তানদের মাঝে অন্তত লিখিত ভাবে যদি জমা জমার ভাগ বন্টন করে দেন তাহলে পরবর্তীতে জমি জমা নিয়ে মামলা মেকদ্দমা শতকরা ৫০ ভাগ কমে যাবে।

সার্কেল এসপি মাসুদ রানা বাবাদের উদ্দেশ্যে বলেন,পিতার সাথে সন্তানদের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।তাহলে একজন পিতা তার সন্তান কখন কোথায় যায়?কার সাথে মিশে? এ বিষয়ে ভালভাবে জেনে তার সন্তানকে তিনি ভাল পথের দিকে নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন।

সন্তান জুয়া কিংবা জঙ্গির সাথে যুক্ত হচ্ছে কিনা, হতাশায় ডুবছে কিনা, সন্তানকে নৈতিক, মুল্যবোধসম্পন্ন মানবিক মানুষ হিসেবে তৈরি করতে হবে।তাহলেই সন্তানদের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে।কারন আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ কান্ডারী।

তাই সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করা পিতা মাতার একান্ত কর্তব্য। সন্তান ঠিক মতো স্কুল কলেজে যায় কিনা?বাসায় বসে পড়ে কিনা? তার মোবাইলে কি আছে এটাও পিতা মাতার দেখা দরকার। তাহলেই আমরা একটা সুশিক্ষায় শিক্ষিত জাতি পাব।