সোমবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ইং, রাত ১২:৫৩
শিরোনাম :
জানুয়ারি মাসে মাদক উদ্ধারে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলো হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিওন ভাষা শহিদদের প্রতি অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম এর শ্রদ্ধা নিবেদন কুমিল্লা রিজিয়নের খাটিহাতা হাইওয়ে থানায় বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত পার্বতীপুরে মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত: রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রংপুর স্মার্ট বিচার বিভাগ গড়ে তোলার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর রমজানে পণ্যের দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: সালমান এফ রহমান অবসরের ৬ মাসের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসর ভাতা প্রদানের নির্দেশ পটুয়াখালীতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত চরকাউয়ায় পাওনা টাকা চাওয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় আনসার সদস্য সহ আহত ৩ বরিশালে ক্ষদ্র মৎস্যজীবী জেলেদের ৭দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে বিক্ষোভ

হাজি সেলিম জামিনে মুক্ত

ডেস্করিপোর্ট  জামিনে মুক্তি পেয়েছেন পুরান ঢাকার আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ সেলিম। মঙ্গলবার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার সেলিম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে দুপুর ১টায় সেলিমের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি টিম হাজি সেলিমের জামিনের কাগজপত্র নিয়ে বিএসএমএমইউতে প্রবেশ করেন। পরে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষের কাছে তাকে বুঝিয়ে দেন। সরিয়ে নেওয়া হয় কারা পুলিশের নিরাপত্তা।

তবে এখনো হাসপাতাল ছাড়েননি হাজি সেলিম। তিনি বিএসএমএমইউয়ের ৬১১ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন।

গত ৬ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ দুর্নীতির মামলায় ১০ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগদলীয় সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ সেলিমকে জামিন দেন। একই সঙ্গে ১০ বছর দণ্ডের বিরুদ্ধে হাজি সেলিমকে আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজি সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল তাকে দুই ধারায় ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। ২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন হাজি সেলিম। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক রায়ে তার সাজা বাতিল করেন। পরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক। ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনরায় শুনানির নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।
সে অনুসারে শুনানি শেষে ২০২১ সালের ৯ মার্চ বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন।