ডেস্করিপোর্ট বরিশালে ১০ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অভিযানে নেশা জাতীয় ইনজেকশন উদ্ধার সহ ২ মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলো মোঃ হানিফুর রহমান হৃদয় (৩৪), পিতাঃ মোঃ মতিউর রহমান, সাং- হাজরাগাতি (শিব বাড়ি), থানা- ঝালকাঠি সদর, জেলা- ঝালকাঠি। এ/পি- উত্তর অক্সফোর্ট মিশন রোড, থানা- কোতয়ালী, জেলা-বরিশাল মহানগর, এবং মোঃ আফজাল ওয়াহিদ আবীর (৩৪), পিতা- মৃত আঃ রাজ্জাক তালুকদার, সাং- ক্ষুদ্র কাঠি, ইউপি- কলশকাঠি, থানা- বাকেরগঞ্জ, জেলা- বরিশাল এ/পি- কাউনিয়া পিছনের স্কুল, থানা- কাউনিয়া, জেলা- বরিশাল
গত রবিবার (৫ মার্চ) কমান্ডিং অফিসার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা বিপিএম-সেবা এর নির্দেশনায়, পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ পিপিএম-সেবা এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এবং পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শাহ মোঃ ফয়সাল আহমেদ এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ হানিফ সিকদার সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহকারে ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়।এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন বরিশাল মহানগর ২১ নং ওয়ার্ডস্থ অক্সফোর্ড মিশন রোডস্থ মুন্সি গ্যারেজ মেহের ম্যানশন এর গলির মাথায় মিরাজ মিয়ার ভাড়া দেওয়া টিন সেড বসত ঘড়ের সামনের কক্ষে একাধিক ব্যক্তি মাদক দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করিতেছে।
উক্ত স্থানে পৌঁছাইয়া অভিযান টিমের অফিসার ফোর্স ০২ জন ব্যক্তিকে আটক করে। জিঙ্গাসাবাদে এবং তল্লাশীকালে আসামীদ্বয় ০১ টি লাল কাপড়ের তৈরী ব্যাগের মধ্যে রক্ষিত অবস্থায় নিষিদ্ধ নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য (ইনজেকশন) ১৮০ এম্পুল PHENEREX ইনজেকশন এবং ৬০ এম্পুল Easium ইনজেকশন নিজ হাতে বাহির করিয়া দেয়। উক্ত স্থানে আরও তল্লাশী করিয়া ৪টি INSULIN SYRINGE ও Absorbpnt তুলা উদ্ধার করা হয় এবং জব্দ করা হয়।
মহানগর দীর্ঘদিন যাবৎ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ মাদকদ্রব্যের (নেশা জাতীয় ইনজেকশন) ব্যবসা করিয়া আসিতেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় পরষ্পর যোগসাজসে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অভিনব কায়দায় অবৈধ মাদকদ্রব্য নেশা জাতীয় ইনজেকশন নিজ হেফাজতে রাখিয়া ও সহযোগীতা করিয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ সনের ৩৬(১) এর সারণী ৩৩(ক), ১৪(ক)/৪১ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করিয়াছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে ৬ মার্চ কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যাহার মামলা নং- ১৯
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে আদালতে প্রেরন করা হবে।