মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:৫০
শিরোনাম :
ঢাকা উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিককে মেয়রপ্রার্থী করল জামায়াত আওয়ামী লীগ নেতা মামা খোকন আটক ১ মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার পুলিশ আসার খবরে ভবনের ছাদ থেকে লাফ, ওয়ার্ড আ’লীগ নেতার মৃত্যু জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সভাপতি: মামুন-অর-রশিদ, সম্পাদক: আরিফুর রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক : রহমাতুল্লাহ অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল আজাদ কাশ্মির, নিহত ২৪ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উজিরপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে অটো রাইস মিল,অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

চুক্তির পর রাশিয়ায় থামলো বিদ্রোহ, বেলারুশে যাচ্ছেন ওয়াগনার প্রধান

অনলাইন ডেস্ক  রাশিয়ার বেসরকারি সামরিক সংস্থা ওয়াগনার গ্রুপের প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিন তার সৈন্যদের নিয়ে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রোস্তোভ-অন-ডন ত্যাগ করছেন। বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর মধ্যস্থতায় একটি চুক্তির পর পরিস্থিতি শান্ত হলো। তারা ইতোমধ্যে শহর ত্যাগ করতে শুরু করেছে।

জানা গেছে, চুক্তির অধীনে প্রিগোজিন ও তার সৈন্যরা বিদ্রোহের ঘোষণার পরও বিচারের আওতায় পড়বে না। প্রিগোজিন এখন বেলারুশে যাচ্ছেন।

ওয়াগনার সৈন্যরা শনিবার (২৫ জুন) সকালে রোস্তভের রাশিয়ার সাউদার্ন মিলিটারি ডিস্ট্রিক্টের সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং মস্কোর দিকে অগ্রসর হতে শুরু করে। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বিষয়টিকে বিশ্বাসঘাতকতা এবং রাষ্ট্রদ্রোহের কাজ বলে বর্ণনা করেন।

বিবিসির লাইভ প্রতিবেদন বলছে, ইয়েভগেনি প্রিগোজিন ও তার সৈন্যদের বিচার করা হবে না বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। ওয়াগনার যোদ্ধারা দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রোস্তোভ-অন-ডন ছেড়ে যেতে শুরু করেছে, যেখানে তাদের বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল।

এদিকে, রোস্তোভ-অন-ডন থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ওয়াগনার সৈন্যরা মস্কোর দিক থেকে ফিরে যাচ্ছেন ফিল্ড ক্যাম্পের দিকে। স্থানীয় লোকেরা জড়ো হয়ে শহরের রাস্তায় উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল। কিছু বাসিন্দা উল্লাস করছিল। কেউ কেউ ওয়াগনার সৈন্যদের হাতে হাত মেলানোর চেষ্টা করছিল।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য সুফান গ্রুপের রাশিয়া ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কলিন ক্লার্ক বলেন, হঠাত করে ওয়াগনার গ্রুপের এমন ঘটনা পুতিনকে দুর্বল করে দিয়েছে। মস্কোও বড় ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে। যদিও পুতিনকে কখনো দুর্বল মনে হয়নি।