রবিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং, রাত ১২:০৬
শিরোনাম :
দেশ এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মানুষের হৃদয়ে অনাদিকাল বেঁচে থাকবেন আল্লামা সাঈদী: ডা. শফিকুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নতুন রণতরী, হরমুজে টানা অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের বিনা পারিশ্রমিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন মুকিত স্যার যুক্তরাজ্যের নতুন নাম ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ব্রিটেন’: নেতানিয়াহু ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান,দুদকের অভিযোগ পরিসমাপ্তি তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসায় দাখিলে শতভাগ পাস,জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন! বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ,বিচারপ্রার্থীদের মাঝে আতঙ্ক শেখ হাসিনা ও হাদি হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চায় বাংলাদেশ বরিশাল বোর্ডে ১৫ টি বিদ্যালয়ে শতভাগ পাস, ৫ প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল

তাহের হত্যা: রাতেই দুই আসামির ফাঁসি হতে পারে

ডেস্করিপোর্ট  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) রাত ১০টা ১ মিনিটে হতে পারে।

বুধবার (২৬ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। রাজশাহী কারাগারে একসঙ্গে দুজনেরই ফাঁসি কার্যকর করা হবে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) দুপুর পৌনে ১টার দিকে দুই আসামির পরিবারের ৩৫ জন সদস্য তাদের সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ করেন। তবে এই বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার আব্দুল জলিল কোনো কথা বলতে চাননি।

২০০৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বাসা থেকে নিখোঁজ হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এস তাহের আহমেদ। পরে ৩ ফেব্রুয়ারি বাসার পেছনে ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয় অধ্যাপক তাহেরের অর্ধগলিত লাশ।

এ ঘটনায় ওইদিন রাতে নিহতের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহীর মতিহার থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ অধ্যাপক তাহেরের একটি জিডির সূত্র ধরে বিভাগের শিক্ষক মহিউদ্দিন ও রাবির ইসলামী ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী, কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীরসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর ৫ ফেব্রুয়ারি আসামি জাহাঙ্গীর, নাজমুল ও সালাম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

২০০৭ সালের ১৭ মার্চ ছাত্রশিবির নেতা মাহবুব আলম সালেহীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালত চার আসামিকে ফাঁসি ও দুজনকে খালাস দেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্তরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আপিল বিভাগ মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীরের ফাঁসির রায় বহাল রাখলেও নাজমুল ও সালামের ফাঁসির রায় পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন করেন। কিন্তু তাদের দণ্ড বৃদ্ধি চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি শেষে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল আপিল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের রায় বহাল রাখেন।