বুধবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং, রাত ৪:৪৬
শিরোনাম :
ঢাকা উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিককে মেয়রপ্রার্থী করল জামায়াত আওয়ামী লীগ নেতা মামা খোকন আটক ১ মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার পুলিশ আসার খবরে ভবনের ছাদ থেকে লাফ, ওয়ার্ড আ’লীগ নেতার মৃত্যু জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সভাপতি: মামুন-অর-রশিদ, সম্পাদক: আরিফুর রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক : রহমাতুল্লাহ অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল আজাদ কাশ্মির, নিহত ২৪ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উজিরপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে অটো রাইস মিল,অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি বিজেপি

অনলাইন ডেস্ক ।। সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি বিজেপি। তাই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেডের (জেডিইউ) এবং অন্ধ্রপ্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি) সমর্থনই ভরসা তাদের। আর সেই সুযোগে বিজেপি সঙ্গে দর কষাকষি শুরু করেছেন নীতীশ কুমার।

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, নরেন্দ্র মোদিকে তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে আনতে নীতীশ কমপক্ষে ৪ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদ দাবি করছেন। পাশাপাশি বিহারে দ্রুত নির্বাচনের ও রাজ্যের জন্য বরাদ্দ অর্থ বাড়ানোর দাবি জানাবেন তিনি।

সরকার গঠনে নিজেদের কৌশল নির্ধারণে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট বুধবার বিকালে রাজধানী দিল্লিতে বৈঠকে বসেছে। সেই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন নীতীশ কুমার এবং চন্দ্রবাবু নাইডু।

লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ভারতীয় রাজনীতিতে এই মূহূর্তে সব থেকে আলোচিত নাম নীতীশ কুমার। জেডিইউ যে বিজেপির দিকেই ঝুঁকে সেকথা বলাই বাহুল্য। তবে নীতীশ কুমার বরাবরই রাজনীতিতে তার স্বার্থ ছাড়া কিছু করেননা।

নীতীশ কুমারের দলের এক শীর্ষনেতা জানিয়েছেন- কেন্দ্রীয় রেল, পানিসম্পদ, গ্রামোন্নয়নের মতো মন্ত্রণালয় চান তারা, যাতে রাজ্যের জন্য উন্নতি করতে পারেন। গত ১৮ বছরে নীতীশ কুমারের সরকার ভালো উন্নতির চেষ্টা চলেছে বিহারে, সেই উন্নয়ন অব্যাহত রাখতেই এতগুলো মন্ত্রণালয় চাইছেন তারা। পাশাপাশি লোকসভা ভোটে বিহারে জেডিইউ এবং বিজেপির জোটের ভালো ফলের পর নীতীশ কুমার চাইছেন, এই হাওয়াকে কাজে লাগিয়েই দ্রুত বিধানসভা নির্বাচন সেখানে করতে, যাতে জয়ের ব্যাপারে অনেকটা এগিয়ে থাকতে পারেন।