বুধবার, ১৬ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ইং, ভোর ৫:৫৪
শিরোনাম :
ফ্যাসিস্ট টেরোরিস্টদের অপচেষ্টা সফল হবে না:প্রধান উপদেষ্টা হাসিনাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দিল্লি থেকে এনে রায় কার্যকর করতে হবে বিজয় দিবস পালন নিয়ে পবিপ্রবিতে রাজনৈতিক বিভাজন, প্রশাসনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ দুমকিতে আমনের বাম্পার ফলন- ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কৃষকরা ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীর শেকড় যতই শক্তিশালী হোক উপড়ে ফেলা হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল বরিশালে তারুণ্যের উৎসব উদযাপন উপলক্ষ্যে মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন ওসমান হাদিকে গুলি করা দুজনকে ‘শনাক্তের’ দাবি দ্য ডিসেন্টের এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে গুলিবিদ্ধ হাদিকে তফশিল ঘোষণার একদিনের মধ্যে আক্রান্ত হলেন ওসমান হাদি! হাদির মাথায় গুলি পাওয়া যায়নি, বেরিয়ে গেছে : ঢামেক পরিচালক

বক আর বুনোহাঁস খাওয়া দুই ভ্লগারকে খুঁজছে বন বিভাগ

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বক আর বুনোহাঁস খাওয়া নিয়ে ভিডিও প্রচার করা দুই ভ্লগারকে খুঁজছে রাজশাহী বন বিভাগ। বন বিভাগের বলছে, দুই ভ্লগারের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলা হলেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের খুঁজে বের করবে।

সম্প্রতি আল-আমিন নামে এক ভ্লগার পাঁচটি বক হাতে নিয়ে এমন ভিডিও ফেসবুকে প্রচার করে লিখেন, আজ বাসায় স্পেশাল মানুষের জন্য হবে বকের রোস্ট। তুলি নামে আরেক ভ্লগার বুনোহাঁসের ছবি হাতে নিয়ে বলেন, তিনি বাড়ি গেছেন বলে তার বাবা বিল থেকে ধরে এনেছেন হাঁসপাখি। আজ হাঁসপাখির মাংস হবে।

পরে আল-আমিন ও তুলির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই ভিডিও দেখে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সোমবার (১৩ জানুয়ারি) রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারকে স্মারকলিপি দিয়েছে সেখানকার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ অ্যাকশন ফর সোস্যাল চেঞ্জ (ইয়্যাস)। এরপর থেকেই তাদের খোঁজে নেমেছে বন বিভাগ।

ইয়্যাসের সভাপতি শামীউল আলীম ও সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপিতে বলা হয়, আল-আমিন ও তুলি প্রকাশ্যে পরিযায়ী পাখি ধরার প্ররোচনা ও জবাই করে রোস্ট করে খাওয়ার প্ররোচনা দিচ্ছেন, যা বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ আইন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি উল্লিখিত কোনো পাখি বা পরিযায়ী পাখির ট্রফি বা অসম্পূর্ণ ট্রফি, মাংস দেহের অংশ সংগ্রহ করলে, দখলে রাখলে বা ক্রয় বা বিক্রি করলে বা পরিবহন করলে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবে এবং এ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটালে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ইয়্যাসের সভাপতি শামীউল আলীম বলেন, দুই ভ্লগার আল-আমিন ও তুলির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে। পাখি বা পরিযায়ী পাখি শিকারিদের আইনের আওতায় আনা ও নগরজুড়ে পাখির বিচরণকেন্দ্র ও আবাসস্থলকে সংরক্ষিত ঘোষণা করে সেখানে আলো দূষণ ও শব্দদূষণ রোধ করতে হবে।

স্মারকলিপির অনুলিপি বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক, প্রধান বন সংরক্ষক, রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদপ্তরের রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালককেও দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী বন বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, আমরা ভিডিও দেখেছি। আমরা তাদের সন্ধান পাইনি। তবে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলা হলে প্রশাসন তাদের খুঁজে বের করবে।