মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১১:৪৬
শিরোনাম :
রুপাতলীতে বদরপুরের ঐতিহ্যবাহী মিজান সুইট মিটের উদ্বোধন দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা,দেখলেই জনমনে আতঙ্ক ! আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সাংগঠনিক সব পদ স্থগিত নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়মের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর্মচারীরা মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট

বক আর বুনোহাঁস খাওয়া দুই ভ্লগারকে খুঁজছে বন বিভাগ

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বক আর বুনোহাঁস খাওয়া নিয়ে ভিডিও প্রচার করা দুই ভ্লগারকে খুঁজছে রাজশাহী বন বিভাগ। বন বিভাগের বলছে, দুই ভ্লগারের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলা হলেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের খুঁজে বের করবে।

সম্প্রতি আল-আমিন নামে এক ভ্লগার পাঁচটি বক হাতে নিয়ে এমন ভিডিও ফেসবুকে প্রচার করে লিখেন, আজ বাসায় স্পেশাল মানুষের জন্য হবে বকের রোস্ট। তুলি নামে আরেক ভ্লগার বুনোহাঁসের ছবি হাতে নিয়ে বলেন, তিনি বাড়ি গেছেন বলে তার বাবা বিল থেকে ধরে এনেছেন হাঁসপাখি। আজ হাঁসপাখির মাংস হবে।

পরে আল-আমিন ও তুলির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই ভিডিও দেখে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সোমবার (১৩ জানুয়ারি) রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারকে স্মারকলিপি দিয়েছে সেখানকার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ অ্যাকশন ফর সোস্যাল চেঞ্জ (ইয়্যাস)। এরপর থেকেই তাদের খোঁজে নেমেছে বন বিভাগ।

ইয়্যাসের সভাপতি শামীউল আলীম ও সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপিতে বলা হয়, আল-আমিন ও তুলি প্রকাশ্যে পরিযায়ী পাখি ধরার প্ররোচনা ও জবাই করে রোস্ট করে খাওয়ার প্ররোচনা দিচ্ছেন, যা বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ আইন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি উল্লিখিত কোনো পাখি বা পরিযায়ী পাখির ট্রফি বা অসম্পূর্ণ ট্রফি, মাংস দেহের অংশ সংগ্রহ করলে, দখলে রাখলে বা ক্রয় বা বিক্রি করলে বা পরিবহন করলে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবে এবং এ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটালে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ইয়্যাসের সভাপতি শামীউল আলীম বলেন, দুই ভ্লগার আল-আমিন ও তুলির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে। পাখি বা পরিযায়ী পাখি শিকারিদের আইনের আওতায় আনা ও নগরজুড়ে পাখির বিচরণকেন্দ্র ও আবাসস্থলকে সংরক্ষিত ঘোষণা করে সেখানে আলো দূষণ ও শব্দদূষণ রোধ করতে হবে।

স্মারকলিপির অনুলিপি বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক, প্রধান বন সংরক্ষক, রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদপ্তরের রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালককেও দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী বন বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, আমরা ভিডিও দেখেছি। আমরা তাদের সন্ধান পাইনি। তবে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলা হলে প্রশাসন তাদের খুঁজে বের করবে।