বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, রাত ১১:০২
শিরোনাম :
সুদানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় শিশুসহ নিহত ২৭ নরসিংদীতে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য-অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৩৭ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা

বাশার আল-আসাদের পতনের পর সিরিয়ায় ফিরেছেন ১০ লাখ শরণার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। বাশার আল-আসাদের পতনের পর গত ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ শরণার্থী সিরিয়া ফিরে এসেছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)। তবে মানবিক কার্যক্রমের জন্য তহবিল কমে আসছে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ইউএনএইচসিআর জানায়, ‘২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর থেকে মাত্র নয় মাসে ১০ লাখ সিরীয় নিজ দেশে ফিরে গেছেন।’

সংস্থাটি আরও জানায়, সিরিয়ার প্রায় ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধ চলাকালে বাস্তুচ্যুত হওয়া আরও ১৮ লাখ মানুষ নিজেদের আদি এলাকায় ফিরে গেছেন।

২০১১ সালে আরব বসন্তের অংশ হিসেবে আসাদ সরকারের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সংঘাতে সিরিয়ার যুদ্ধপূর্ব ১ কোটি ৩০ লাখ জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন।

এই প্রত্যাবর্তনকে ‘রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সিরীয়দের বিশাল আশা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন’ হিসেবে আখ্যা দিলেও ইউএনএইচসিআর বলেছে, অনেক ফিরে আসা মানুষই নিজেদের জীবন পুনর্গঠনে সংগ্রাম করছেন।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘ধ্বংস হয়ে যাওয়া ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো, দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্ত মৌলিক সেবা, কর্মসংস্থানের অভাব এবং অস্থির নিরাপত্তা পরিস্থিতি মানুষের ফিরে আসা ও ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতাকে কঠিন করে তুলছে। ‘

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, সিরিয়ার ভেতরে এখনও ৭০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় আছেন এবং আরও ৪৫ লাখের বেশি মানুষ এখনো বিদেশে অবস্থান করছেন।

সংস্থাটি স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের জন্য বেশি বিনিয়োগ এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জন্য বাড়তি সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে।