মঙ্গলবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ৪:৩০
শিরোনাম :
বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মামুন-অর-রশিদ : সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নিবেদিত যাত্রা স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উত্ত্যক্ত করায় ৪ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আটক বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয় বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ জাতীয় দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট হিসেবে যোগ দিলেন আহমেদ বায়েজিদ মঠবাড়িয়ায় চোরের হামলায় অটো চালক জখম বরিশাল পেশাজীবী ফোরামের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী

কুড়িগ্রামে এখনও শুরু হয়নি আমন ধান কেনা

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি দেশব্যাপী গেলো ২০ নভেম্বর থেকে সরকারিভাবে আমন ধান কেনার ঘোষণা দেয়া হলেও এখনো কুড়িগ্রাম জেলায় তা শুরু হয়নি। এমনকি ধান কেনার জন্য কৃষি বিভাগ থেকে লটারির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়নি প্রান্তিক কৃষকের তালিকাও। কৃষি বিভাগ বলছে তালিকা তৈরির কাজ চলছে। অন্যদিকে, খাদ্য বিভাগের দাবি, সরকারিভাবে ধান কেনার জন্য কৃষককের তালিকা হাতে না পাওয়ায় কার্যক্রম শুরু করতে পারেননি তারা।

কুড়িগ্রাম জেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের আবাদ হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৩শ ৫ হেক্টর জমিতে। বন্যার কারণে এই জেলায় একটু দেরিতে আমনের চাষ শুরু হলেও এখন চলছে ফলন উঠানো। ভরা মৌসুমে বাজারে ধানের দাম কম থাকায় কৃষকরা সরকারের কাছে একটু বেশি দামে ধান বিক্রির আশা করলেও ক্রয় কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় শংকায় রয়েছেন তারা।

তবে জেলার অনেক প্রান্তিক কৃষকদের অভিযোগ, তাদের নামে কৃষি কার্ডই নেই। আর যাদের কৃষি কার্ড আছে লটারিতে তাদের নাম উঠবে কি না তা নিয়ে দুঃচিন্তায় আছেন অনেক কৃষক। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের বেশিরভাগ কৃষক এখনো জানেই না সরকার কখন ও কি পদ্ধতিতে ধান কিনবে। কোথায় সেই ধান দিতে হবে। আবার অনেকেরই জানা নেই কে কিভাবে কৃষকের তালিকা করেছে এবং সেখানে তাদের নাম আছে কি না।

জেলার ৯ উপজেলায় সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ১৩ হাজার ৭১ মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যে এ পর্যন্ত ১ লাখ ১০ হাজার কৃষকের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখান থেকে দু’একদিনের মধ্যে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকের নাম প্রকাশ করা হবে বলে জানালেন কৃষি বিভাগের এই কর্মকর্তা।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি না হলেও জানান, লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত প্রান্তিক ও অস্বচ্ছল কৃষকদের প্রত্যেকের নিকট থেকে সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন ধান ক্রয় করা হবে। তবে সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ থেকে খাদ্য বিভাগে কোন কৃষকের তালিকা না পাওয়ায় ধান কেনা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।