ডেক্সরিপোর্ট খাগড়াছড়িতে দুর্গম পাহাড়ে চাষ হচ্ছে নিষিদ্ধ গাঁজা। দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি এলাকাকে কেন্দ্র করে একটি গোষ্ঠীর গাঁজার আবাদ করছে।
মূলত লোকচক্ষুর অন্তরাল করতেই গাঁজা চাষের জন্য দুর্গম পাহাড়ি এলাকাকে বেছে নেয়া হয়েছে। এমন গাঁজা ক্ষেতের সন্ধান পেয়ে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী।
খাগড়াছড়ির মহালছড়ির দুর্গম কলাবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩ একর গাঁজা ক্ষেত ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনী।
রোববার সকালে মহালছড়ির বিজিতলা সাব-জোন কমান্ডার মেজর আসিফ ইকবালের নেতৃত্বে পেট্রল টিম ৪ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ৩ একর গাঁজা ক্ষেত ধ্বংস করে। এ সময় গাঁজা চাষ করার দায়ে অমল বিকাশ চাকমা ও টুলু চাকমা নামে দুই সহোদরকে আটক করা হয়।
আটককৃত দুই ভাই কুলাবুনিয়া এলাকার শান্তিময় চাকমার ছেলে।
নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, ‘দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় লোকচক্ষুর অন্তরালে দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ স্থানীয় গ্রামবাসিন্দাকে দিয়ে নিষিদ্ধ গাঁজা চাষ করাচ্ছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে কুলাবুনিয়া এলাকায় সেনা অভিযানে প্রায় ১ হাজার ৫০০ গাঁজা গাছ পুড়িয়ে দেয়।’
মহালছড়ির বিজিতলা সাব-জোন কমান্ডার মেজর আসিফ ইকবাল সাংবাদিকদের জানান, ‘রাঙামাটি-মহালছড়ি সড়ক থেকে অন্তত ৭ কিলোমিটার দূরে দুর্গম কলাবুনিয়া এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তিন একর জমিতে গাঁজার আবাদ করে স্থানীয় চাষী অমল বিকাশ চাকমা ও টুলু চাকমা।
এ সময় তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘ইউপিডিএফ (মূল)-এর দু’জন সদস্য এই গাঁজা চাষে তত্ত্বাবধান করত।’
মহালছড়ি থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর জানান, ‘আটককৃত দুই গাঁজা চাষীর বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হবে।’