ডেক্সরিপোর্ট গভীররাতে ঘন কুয়াশায় মেঘনা নদীতে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে এক নারী ও তার সাত বছরের ছেলের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন অন্তত ১০ যাত্রী।
রোববার রাত পৌনে ১টার দিকে বরিশালের সীমান্তবর্তী মেঘনা নদীর মাঝের চর এলাকায় ঢাকাগামী কীর্তনখোলা-১০ ও ঝালকাঠিগামী ফারহান-৯ লঞ্চের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুরিয়া ইউনিয়নের রুবেল খান আব্বাসের স্ত্রী মাহমুদা বেগম (২৫) ও তার ছেলে মমিন খান (৭)। তারা কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের যাত্রী ছিলেন।
বরিশাল নৌবন্দরে বিআইডব্লিউটিএ এর কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু বলেন, ফারহান-৯ লঞ্চের সামনের দিক কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের মাঝামাঝি অংশে সজোরে ধাক্কা দেয়। তাতে কীর্তনখোলা লঞ্চের ডান দিকের অনেকটা অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়।
দুর্ঘটনার সময় লঞ্চের নিচতলার ডেকে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন রুবেল খান। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা যান মাহমুদা ও মমিন।
রুবেলসহ ১০ যাত্রী এ ঘটনায় আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে নৌ পুলিশের সহায়তায় চাঁদপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কীর্তনখোলা-১০ বরিশাল থেকে ঢাকা এবং ফারহান-৯ ঢাকা থেকে ঝালকাঠি যাচ্ছিল। ঘন কুয়াশার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা।
আজমল হুদা মিঠু বলেন, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
বাকেরগঞ্জের গারুরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. সাইফুজ্জামান জানান, রুবেল খান পেশায় একজন গাড়ি চালক। পরিবার নিয়ে তিনি ঢাকাতেই থাকেন। শীতের ছুটিতে কয়েকদিন আগে গ্রামের বাড়িতে এসছিলেন। ছুটি শেষে ঢাকায় ফেরার পথে তারা দুঘর্টনায় পড়েন।