রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং, বিকাল ৫:৩৫
শিরোনাম :
আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয় বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ জাতীয় দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট হিসেবে যোগ দিলেন আহমেদ বায়েজিদ মঠবাড়িয়ায় চোরের হামলায় অটো চালক জখম বরিশাল পেশাজীবী ফোরামের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী আরাগচি-গালিবাফকে হত্যার ছক ইসরায়েলের, ইরানকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ুগত কারণে জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার শঙ্কা বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

রাজধানীতে ফ্ল্যাট থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার

ডেক্সরিপোর্ট  রাজধানী ঢাকার উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাট থেকে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার একজনের লাশ উদ্ধার করেছে পশ্চিম থানা পুলিশ।

নিহত ব্যক্তির নাম কাজী গোলাপ হোসেন (৪৫)। তিনি বাবলু পরিবহনের আব্দুল্লাহপুরের কাউন্টার মাস্টার। তার বাবার নাম কাজী আলী আহাম্মদ। দেশের বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে।

ওই বাড়ির কেয়ারটেকার রফিকুল ইসলাম বলেন, ১৪ নম্বর সেক্টরের ১০ নম্বর রোডের ৩ নম্বর বাড়ির সপ্তম তলায় স্ত্রী ও একমাত্র মেয়ে নাফিজাকে নিয়ে বসবাস করতেন নিহত ওই ব্যক্তি। গোলাপ হোসেনের স্ত্রী-সন্তান ৮-১০ দিন আগে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যায়। গত কয়েক দিন একাই বসবাস করছিলেন।

কেয়ারটেকারের স্ত্রী দীপা বলেন, গোলাপ হোসেনের স্ত্রী আজ সকালে তাকে ফোন দিয়ে জানায়, তার স্বামীর মোবাইল বন্ধ রয়েছে। তার কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না।

‘এ কথা শুনে কেয়ারটেকারের স্ত্রী ফ্ল্যাটে গিয়ে দরজা বন্ধ দেখতে পান। কিন্তু একটি জানালা খোলা থাকায় জানালা দিয়ে ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় গোলাপ হোসেনের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।’

তিনি বলেন,পরে স্থানীয় কল্যাণ সমিতি এবং পশ্চিম থানা পুলিশকে জানালে পশ্চিম থানা পুলিশ এবং সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে আসে। গলাকাটা ও নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে এসেছে, এমন অবস্থায় বিছানার ওপরে লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

উত্তরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার শচীন মৌলিক বলেন, খবর পেয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন এবং সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রাথমিক সুরতহালের কাজ চলছিল।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে– গলা ও পেট কেটে তাকে কে বা কারা হত্যা করে রেখেছে। তদন্তপূর্বক হত্যার কারণ জেনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।