শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:৪৫
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

ব্যাম্বো বান্ডেলিংয়ে রৌমারীতে দুইশ একর জমি রক্ষা

এজি লাভলু,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ব্যাম্বো বান্ডেলিং ও ভূমি উদ্ধার পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে ফুলুয়ারচর এলাকার প্রায় দুইশ একর জমি ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে। ওই জমিগুলো এখন আবাদি হয়ে উঠছে। জেগে ওঠা বালুর চরে কৃষক বাদাম, পেঁয়াজসহ নানা ফসল ফালাচ্ছে। সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা গেছে।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, গত অর্থ বছরে জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে ওই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট অধিদপ্তর। প্রকল্পের আওতায় রৌমারী উপজেলার ফুলুয়ারচর এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের বাম তীরে এক হাজার সাতশ মিটার জুড়ে ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ব্যাম্বো বান্ডেলিং প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়।

ফুলুয়ার চর এলাকার কৃষক শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘এখন যেখানে আমরা বাদাম চাষ করছি সেই জমি নদের ভাঙ্গনের মুখে ছিল। নদের তীরজুড়ে বান্ডেলিং নির্মাণ করায় স্রোত ঘুরে যায়, ভাঙ্গন থেকেও আমরা রক্ষা পাই।’ নুরুল ইসলাম নামের একজন বলেন, ‘জেগে ওঠা বিশাল বালিচরে পেঁয়াজ চাষ করেছিলাম। ফলনও ভালো হয়েছে। যেভাবে চর পড়েছে তাতে আগামী ১০/১৫ বছরেও ভাঙ্গনের সম্ভাবনা নেই।’ আবুল কাশেম নামের এক কৃষক বলেন, ‘চরের ওই জমিতে বোরো চাষ করে একশ মণ ধান পেয়েছি।’

সংশ্লিষ্ট এলাকার বন্দবেড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন জানান, ওই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা না হলে ফুলুয়ার চর নামক এলাকাটি নদের গর্ভে হারিয়ে আবাদি জমিসহ অসংখ্য মানুষ ভিটেমাটি হারা হতো। নদের বুকে চর পড়ে প্রায় দুইশ একর জমিতে কৃষক এখন বাদামসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ করছে। ওই প্রকল্পটি বাঘমারা চরের উজানে পাশে বাস্তবায়ন করা গেলে একইভাবে ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা পাবে প্রায় পাঁচশ একর জমি।

ব্যাম্বো বান্ডেলিং প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মনিরুজ্জামান ইউসুফি বলেন, আমরা অনেক স্থানে ওই প্রকল্প বাস্তবায়ন করে সফল হয়েছি। কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে আরও কয়েকটি স্থানে ওই প্রকল্প বাস্তবায়নের চিন্তা ভাবনা রয়েছে।