বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি বাবুগঞ্জের কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের আব্দুর রব শরিফের ভূতেরদিয়া মৌজার ৪১২ ও ৫৩৯ খতিয়ানের ৭৮০ দাগের ক্রয়কৃত ভোগদখলীয় ৫৫.৫০শতক জমি থেকে জোড় পূর্বক উচ্ছেদ করে আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে পাকা ভবন নির্মানের কাজ অব্যহত রেখেছে প্রতিপক্ষ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত ২৪ জানুয়ারী এসপি’র নির্দেশে বাবুগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান প্রতিপক্ষ একই এলাকার রশিদ হাওলাদারকে ডেকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী বিরোধীয় জমিতে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেও হরদম পুলিশের চোখ ফাঁকি দখলের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা। এত প্রশ্ন উঠেছে রশিদ হাওলাদারের খুটির জোর কোথায়?
বৃহস্পতিবার ৩০ জানুয়ারি ওই এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানাযায়, বিরোধীয় সম্পত্তিত্বে কৌশলে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে রশিদ হাওলাদারের লোকজন।
অভিযোগ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাযায়, দীর্ঘদিন যাবৎ আব্দুর রব শরিফ ক্রয়সূত্রে ওই জমি ভোগ করে আসছে। এ নিয়ে আদালতে প্রতিপক্ষ একই এলাকার রশিদ হাওলাদারে সাথে মামলা চলমান রয়েছে।
২৪ নভেম্বর ২০১৭ইং সালে “ক্রয়কৃত জমি থেকে উচ্ছেদের পায়তারা” শিরোনামে বরিশালের কয়েকটি দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল। ভুক্তভোগী পরিবার জানান, শেষ পর্যন্ত ওই জমি রশিদ হাওলাদার ও তার প্রবাসি ছেলে শাহীন হাওলাদারসহ সহযোগীরা পেশি শক্তি প্রয়োগ করে পাকা ভবন নির্মান করছে। সাম্প্রতিক এসপি মহাদয়ের নির্দেশে কাজ বন্ধ রাখলেও আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে প্রতিপক্ষরা।
জানাযায়, ১৫ জানুয়ারি আব্দুর রব শরিফ বাবুগঞ্জ সহকারি জজ আদালতে বিরোধ পূর্ণ ওই জমি বাটোয়ারা জন্য মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৬। ওই মামালা করার পর থেকেই জমিতে পাকা ভবন তৈরি করতে মরিয়া হয়ে ওঠে রশিদ হাওরাদার ও তার সহযোগীরা।
বিরোধীয় জমিতে কাজ স্থগিত করে কারন দর্শানোর নোটিশ করলে প্রতিপক্ষ দিনে ও রাতের আধাঁরে সহযোগীদের নিয়ে তরিগড়ি করে পাকা ভবনের কাজ করা শুরু করে।
থানা পুলিশের নির্দেশে সাময়িক কাজ বন্ধ রাখলেও একন আবারো কৌশলে কাজ করছে তারা।
অভিযোগকারি আরো বলেন, প্রতিপক্ষরা ওই জমিতে থাকা টিনের ঘর লোকবল নিয়ে ভেঙ্গে ফেলে এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হত্যার হুমকি প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত রশিদ হাওলাদারের সাথে একধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।