শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৬:০৫
শিরোনাম :
মানসিক ভারসাম্য হারাচ্ছেন ধর্ষণের অভিযোগে ফাঁসানো সেই ফেনীর ইমাম নৈশভোজে ট্রাম্পের খাবারের মেনুতে ছিল গরুর পাঁজরের মাংসসহ বেইজিং হাঁসের রোস্ট রুপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপে সংঘাত-রক্তপাত সমকামিতার দায়ে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল, কারাদণ্ড ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩৯টি মার্কিন বিমান ধ্বংস পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীর পানি,নিম্নাঞ্চল প্লাবিত পটুয়াখালীতে হানি ট্র্যাপে ফেলে প্রতারণা, বিএনপি ও যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার ট্রাম্পকে লাল গালিচায় রাজকীয় অভ্যর্থনা দিল চীন শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল রাশিয়া দায়িত্বশীল নেতৃত্বে কাউনিয়া থানায় ইতিবাচক পরিবর্তন, ওসি সনজিতের ভুমিকা প্রশংসিত!

রৌমারীতে পিঁয়াজের বাম্পার ফলন

 

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি   চরাঞ্চলের মানুষের আয়ের উৎস চাষাবাদ ও মাছ ধরা। পেঁয়াজের বাজারমূল্য বেশি থাকায় চরাঞ্চলের কৃষকরা পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার পেঁয়াজ চাষ ভালো হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্বপাড় চরাঞ্চলে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনের আশায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। কম খরচে অধিক ফলন ও ভালো দাম পেলে প্রতি একরে প্রায় ৭০ হাজার টাকা লাভ হবে পেঁয়াজ চাষীদের।

কৃষক জলিল মোল­া বলেন, আমি তিন একর জায়গায় পেঁয়াজ চাষ করেছি। আমার একর প্রতি খরচ হয়েছে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। এক একর জমিতে ফলন হবে ৮০-৯০ মণ। বাজারে এক মণ পেঁয়াজ ১৮’শ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করা যাবে। এক একর জমির পেঁয়াজ বিক্রয় করে লাভ হবে প্রায় ৭০ হাজার টাকা।

সোনাপুর গ্রামের কৃষক লিটন মিয়া জানান, চরের বালু মিশ্রিত জমিতে অন্য ফসলের তুলনায় পেঁয়াজ চাষ ভালো হয়। এবার বাজারে দাম বেশি থাকায় আমি ২ একর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছি। সামান্য সেচ দিলে ফলন আরো বেশি ভালো হয়। রাসায়নিক কোনো সারের তেমন প্রয়োজন হয় না। সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে পাওয়া যায় আশাতীত ফলন। পেঁয়াজ চাষে পরিশ্রম কম ও লাভ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় চরাঞ্চলে পেঁয়াজের চাষ দিন দিন বাড়ছে। এবার চরাঞ্চলে দু’শ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে।

বন্দবেড় ইউনিয়নের খনজনমারা ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: আমিনুল ইসলাম বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্বপাড় চরাঞ্চলের মাটি পেঁয়াজ চাষের জন্য খুব উপযোগী। বাণিজ্যিকভাবে পেঁয়াজ চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করলে বদলে যেতে পারে চরাঞ্চলের দরিদ্র কৃষকের ভাগ্য। চরাঞ্চলে পেঁয়াজসহ বিভিন্ন অর্থকরী ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে আমরা কৃষকদের সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করছি।

সিএসডিকে এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক মো: আবু হানিফ মাস্টার বলেন, আমার চরাঞ্চলের কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে অর্থকরী ফসল পেঁয়াজ, চিনা, কাউন, বাদাম, মাষকালাই, মুসুর ডালসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে কৃষকদের বীজ, সার, নগদ অর্থ, পরামর্শ প্রদানসহ কৃষি প্রদর্শনী প্লট স্থাপন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠান করে কৃষির টেকসই উন্নয়নে কাজ করছি।