মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:২৯
শিরোনাম :
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন

মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক আর নেই

অনলাইন ডেস্ক  প্রায় ৩০ বছর ক্ষমতাসীন থাকার পর ২০১১ সালে আরব বসন্তে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক মারা গেছেন। ৯১ বছর বয়সী এই স্বৈরশাসক মঙ্গলবার মারা যান বলে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

১৯৮১ সালে প্রথমবার মিসরের ক্ষমতায় আসেন হোসনি মোবারক। ২০১১ সালে আরব বসন্তের ঢেউ মিসরে আছড়ে পড়লে ক্ষমতাচ্যুত হন তিনি। ওই বছরের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ১৮ দিনের অভ্যুত্থানে ১১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতাচ্যুত হন মোবারক। কিন্তু অভ্যুত্থানের দিনগুলোতে তার নির্দেশে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ২৩৯ জন বিক্ষোভকারী নিহত হন বলে আদালতে প্রমাণিত হয়। ফলে ২০১২ সালে নিম্ন আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তবে আপিল আদালতে বেকসুর খালাস পেলে ২০১৭ সালের মার্চে মুক্তি পান তিনি।

দেশটির সরকারি টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, কয়েক সপ্তাহ আগে হোসনি মোবারকের দেহে অস্ত্রোপচার করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে কায়রোর একটি সামরিক হাসপাতালে নেয়া হয়। মঙ্গলবার সেখানে মৃত্যু হয় তার।

১৯২৮ সালে জন্ম নেওয়া হোসনি মোবারক তরুণ বয়সে মিসরের বিমান বাহিনীতে পাইলট হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭২ সালে বিমান বাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হয়ে পরের বছর আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এর এক দশকেরও কম সময়ের মধ্যে প্রেসিডেন্ট হয়ে যান তিনি।

তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতের হত্যাকাণ্ডের পর ক্ষমতাসীন হন হোসনি মোবারক। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখেন তিনি। তার আমলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হয়ে ওঠে মিসর। তবে তার সময়ে শত শত কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা পেলেও মিসরে বেকারত্ব, দারিদ্র্য ও দুর্নীতি বাড়তে থাকে। আর এর জের ধরেই আরব বসন্তের অভ্যুত্থানে ক্ষমতা ছাড়তে হয় তাকে।