মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং, বিকাল ৩:৩২
শিরোনাম :
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: ইরান গৌরনদীতে একসাথে আড়াইহাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগৈলঝাড়া থানায় হামলাঃ দুই সাংবাদিককে আসামী করায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্বেগ সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ স্নাতক পর্যন্ত নারীশিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর বন্ধ বিটিএমএ’র কমিটি গঠন :সভাপতি হুমায়ুন,সম্পাদক শাহিন, অর্থ সম্পাদক: মামুন বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মামুন-অর-রশিদ : সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নিবেদিত যাত্রা

রাজশাহীর আম বাজারে আসবে ১৫ মে

ডেক্সরিপোর্ট  রাজশাহীর গুটি জাতের আম বাজারে পাওয়া যাবে আগামী ১৫ মে থেকে। সুস্বাদু অন্যান্য জাতের আম পেতে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। আগামী ১৫ মে-এর আগে কোনো আম নামানো যাবে না। ১৫ মে থেকে সব ধরনের গুটি আম পাড়তে পারবেন চাষিরা। আজ শুক্রবার জেলা প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. হামিদুল হক স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই মৌসুমে গোপালভোগ আম নামাবে ২০ মে থেকে। এর পাঁচদিন পর ২৫ মে থেকে নামাবে লক্ষণভোগ, লখনা এবং রাণীপছন্দ। হিমসাগর, ক্ষিরসাপাত আম নামবে আরও তিন দিন পর ২৮ মে। আগামী ৬ জুন থেকে নামবে ল্যাংড়া আম। এরপর ১৫ জুন থেকে আম্রপালি ও ফজলি নামবে। আর মৌসুমের শেষে আশ্বিনা ও বারি আম-৪ নামবে ১০ জুলাই থেকে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আম উৎপাদনে প্রত্যেক উপজেলায় আলাদা কমিটি থাকবে। এই কমিটি অসময়ে আম নামানো এবং আমে কেমিক্যাল মেশানো ঠেকাতে আমবাগান, কেমিক্যাল বিক্রির দোকান এবং আমের আড়ত পরিদর্শন করবে।

আমচাষি ও বাগান মালিকদের উদ্দেশে রাজশাহী জেলা প্রশাসন বলেছে, নির্ধারিত সময়ের আগে কোনোভাবেই অপরিপক্ক আম সংগ্রহ কিংবা বাজারে তোলা যাবে না। আম পাকানো ও সংরক্ষণ বা বাজারজাতে কোনো কেমিক্যাল মেশানো যাবে না। জনসচেতনতা সৃষ্টি ছাড়াও তারা আইন অমান্যকারীদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনবেন।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শামসুল হক জানান, এবার রাজশাহীতে ১৭ হাজার ৫৭৩ হেক্টর জমিতে আমের চাষ করা হয়েছে। এবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন। ফলন অনুযায়ী গড়ে ৩৫ টাকা কেজি দরে লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ৭৩৫ কোটি টাকার আম বিক্রি করার সম্ভাবনা রয়েছে।