শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:২৭
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

ঝালকাঠিতে গভীর রাতে পালিয়ে গেল আইসোলেশসনে থাকা করোনা রোগী

ঝালকাঠি প্রতিনিধি  ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলায় করোনা শনাক্ত ব্যক্তি হোম আইসোলেশসনে থাকা অবস্থায় পালিয়ে গেছেন। বুধবার গভীর রাতে তিনি উপজেলার আমুয়া ইউনিয়নের বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তাপস কুমার তালুকদার। বুধবার সন্ধ্যায় ওই আক্রান্ত ব্যক্তি বাড়িতে শতাধিক মানুষের জন্য ইফতারের আয়োজন করেন। রাতেই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাঁর করোনা প্রতিবেদন পজিটিভ আসে। রাত ১২টার দিকে তিনি পালিয়ে যান।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, এক সপ্তাহ আগে ওই ব্যক্তি তাঁর মায়ের মৃত্যুতে চট্টগ্রাম থেকে গ্রামর বাড়িতে আসেন। এলাকার লোকজনের সন্দেহ হলে আমুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। গতকাল বুধবার সেই ব্যক্তির করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। খবর পেয়ে তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

আমুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বলেন, পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে চেষ্টা চলছে। তাঁর বাড়িতে ইফতারে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ৩০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

কাঁঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তাপস কুমার তালুকদার বলেন, ওই ব্যক্তি চট্টগ্রাম থেকেই আক্রান্ত হয়ে গ্রামের বাড়িতে এসেছেন। ইফতারে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা তাঁর সংস্পর্শে আসায় তাঁরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গেল। তাঁকে খুঁজে বের করা না গেলে আরও অনেক ব্যক্তি আক্রান্ত হবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকন্দ মো. ফয়সাল উদ্দিন বলেন, পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে পুলিশ প্রশাসন চেষ্টা করছে। ওই বাড়িতে গোপনে ইফতারের আয়োজন করা হয়েছিল। আক্রান্তদের বাড়িসহ আশপাশের ৩০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।