শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৩:৪০
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

পাক-ভারতের পাল্টাপাল্টি কূটনৈতিক বহিষ্কার

অনলাইন ডেস্ক  সাত দিনের মধ্যে নয়াদিল্লিতে ইসলামাবাদের কূটনীতিকদের সংখ্যা অর্ধেকে কমিয়ে আনতে পাকিস্তানকে বলেছে ভারত। এর আগে এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয়েছে।-খবর ডন অনলাইনের

এটাকে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার নতুন আভাস হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। ভারত বলছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে পাকিস্তানে তাদের কূটনীকের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে নিয়ে আসবে।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পাকিস্তানি কূটনীতিকরা গুপ্তচরবৃত্তির কাজে লিপ্ত রয়েছে। এছাড়াও তারা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে লেনদেন বজায় রেখে চলেছে।

জবাবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের দূতাবাস কর্মীরা আইন মেনেই দায়িত্বপালন করছিল। তারপরও নয়া দিল্লি এমন ব্যবস্থা নেয়ায় তারাও পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ভারতের ইসলামাবাদ দূতাবাসের অর্ধেক কর্মীকে বহিষ্কার করবে।

অধিকৃত কাশ্মীরকে ভারতীয় মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে একীভূত করার পর গত আগস্টে ভারতীয় হাই কমিশনারকে ফেরত পাঠিয়েছিল পাকিস্তান।

প্রতিবেশী দুই বৈরী দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক অবনতির পর অবনতির দিকেই যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে বের হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

বর্তমানে নয়াদিল্লিতে পাকিস্তানের ৮৩ কর্মকর্তা ও কর্মচারী অবস্থান করছেন। যেখানে ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশনারের কর্মী সংখ্যা প্রায় ১০০ হবে।

খবরে বলা হয়, লাদাখের পরিস্থিতির পর জনগণের মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নিতেই ভারতীয় সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছে। সেখানে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় চীনা বাহিনীর সংঘর্ষে ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছে।