রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ৯:২৬
শিরোনাম :
আগৈলঝাড়া থানায় হামলাঃ দুই সাংবাদিককে আসামী করায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্বেগ সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ স্নাতক পর্যন্ত নারীশিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর বন্ধ বিটিএমএ’র কমিটি গঠন :সভাপতি হুমায়ুন,সম্পাদক শাহিন, অর্থ সম্পাদক: মামুন বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মামুন-অর-রশিদ : সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নিবেদিত যাত্রা স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উত্ত্যক্ত করায় ৪ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আটক বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্

বরিশালে জালজালিয়াতি করে ডিসিআর ছাড়াই ভিপি সম্পত্তিতে পাকা স্থাপনা

শামীম আহমেদ  বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি গ্রামে ভিপি ‘ক’ তফসিল সম্পত্তিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমতি ছাড়া পাকা দালান নির্মাণ করছে স্থানীয় মৃত তুজম্বার হাওলাদারের পুত্র মালেক হাওলাদার। যার ভিপি কেচ নং ৯/৮২, ৯/৮৩,। সুত্রমতে, বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের দেহেরগতি মৌজার জে.এল নং ৩৫, যার এস.এ খতিয়ান নং ৭৩৭, হাল দাগ নং ৪০৫২ এর ৫০ শতাংশ জমি বাংলা ১৪১৮ সন পর্যন্ত নবায়ন করে মালেক হাওলাদার ভোগ দখল করে।

এর পরে আর মালেক হাওলাদার উক্ত ভিপি সম্পত্তি ডিসিআর করাতে পারেনি। কিন্তু জালজালিয়াতির মাধ্যমে ১৪১৮ সন লেখাকে ঘসামাজা করে ১৪২৬ সন লিখে মুল কাগজটির ফটোকপি করে বাবুগঞ্জ ভুমি অফিসের মাধ্যমে ২০১৯ সালের ১৫ জুলাই জেলা প্রশাসক বরাবরে আধাপাকা টিনসেট ঘর উত্তোলনের জন্য সহকারি কমিশনার ভুমি, বাবুগঞ্জ অফিসের মাধ্যমে আবেদন করে মালেক হাওলাদার। কিন্তু ওই আবেদনটি ২০১৯ সালের ২৭ আগস্ট জালিয়াতি ধরা পরে।

এ ঘটনার পর দেহেরগতি ইউনিয়ন ভুমি সহকারি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির এর যোগসাজসে মালেক হাওলাদার ডিসিআর ছাড়াই ভিপি সম্পত্তি দখল করে চলতি বছরের ১৫ মার্চ পাকা ছাদ দিয়ে দালান নির্মান করেন। যা সরেজমিনে তদন্ত করলেই সত্যতা পাওয়া যাবে। এ কারনে স্থানিয় জনমনে খোভ সৃষ্টি হচ্ছে। সরকারি জমিতে দালান করার ব্যাপারে দেহেরগতি ইউনিয়ন ভুমি সহকারি কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির জানান, সরকারি জমিতে মালেক হাওলাদার দালান নির্মান করেছে সত্যি।

তবে কানুনগো স্যারের নির্দেশে স্থানীয় সালিশদার মিলন কাজি ও অন্যান্য লোকজন মিলে দুই গ্র“পের দ্বন্ধের মিমাংসা করে অচল নামায় সই করে মালেক হাওলাদারকে মিলন কাজি জমিতে দালান উঠাতে বলে। সেই অচলনামাটি আমার কাছে জমা আছে বলে দাবী করেন ভুমি সহকারি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির।

তিনি আরো বলেন,জমিতে পাকা স্থাপন করতে পারবেনা সেটা আপনাকে বলছে। সে যা করুক তাতে আপনাদের কি। তবে সরকারী ভাবে দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এবিষয়ে শালিশ মিমাংসা কোন ভিত্তি নাই। এছাড়াও উল্লেখিত মিলন কাজির সাথে যোগাযোগ করিলে তিনি দালান তোলার ব্যাপারে কোন সিদ্বান্ত দেয়নি বলে জানান।

এ ব্যাপারে সরকারি জমি দখলকারি মালেক হাওলাদারের মুঠো ফোনে জানতে চেয়ে একাধিক বার ফোন করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তবে সরকারি জমি উদ্ধার করতে জেলা প্রশাসকের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের বক্তবে হুমায়ন কবিরের বক্তব্য মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়। এছাড়াও রয়েছে তহশিলদার হুমায়ন কবিরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ।