নিজস্ব প্রতিবেদক কর্মক্ষেত্রে জবাবদিহিতা,স্বচ্ছতা,কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি,সু-শাসন নিশ্চিত করে জনগনের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ(বিএমপি)’র উত্তর বিভাগের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ)সম্পন্ন হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১১ টায় বরিশাল পুলিশ লাইন্সের ড্রিলসেডে বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খানের সাথে উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিন মোঃ মোক্তার হোসেনের সাথে এ চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়।

এ সময় বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন,সরকারি কর্মকান্ডে গতিশীলতা আনয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করনের লক্ষ্যে একটি কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা অপরিহার্য।সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্র বিনির্মানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং সুশাসন সংহত করা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন উদ্দেশ্য এ সকল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরন করা এবং সকল স্তরে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করন এবং জনগনের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে হলে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিটি বাস্তবায়ন করা অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন,মহামারি করোনা কালে জনগনের সেবা দিয়ে পুলিশ যে আস্থা অর্জন করেছে সে আস্থাকে কাজে লাগিয়ে পুলিশ কে মানবিক পুলি হতে হবে।আমি আশা করছি বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তির বাস্তবায়নের মাধ্যমে পুলিশ জনগনের পুলিশে পরিনত হয়ে জনগনের আশা আকাংখার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হবে।

বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন,”দিস ইজ দা লাস্ট ট্রিটমেন্ট, এর পরে আর ছাড় দেয়া হবে না।”মাদকের জন্য যেমন রিহেবিলিটেশন রয়েছে তেমনি দুর্নীতির জন্যেও রয়েছে।আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতনতার সাথে কাজ করলে দেশ থেকে দুর্নীতি ও মাদক নির্মুল করতে সক্ষম হবো।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন,বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম,উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন মোঃ জুলফিকার আলি হায়দার,উপ-পুলিশ কমিশনার(উত্তর) মোঃ খাইরুল আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার সাপ্লাই এন্ড লজিস্টিকস খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের, উপ-পুলিশ কমিশনার(ডিবি) মোঃ মনজুর রহমান,অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিন মোঃ আকরামুল হাসান প্রমুখ।