বুধবার, ২০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ৪:০৯
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বরিশালে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন স্বৈরাচার অর্থ সরবরাহ করছে, আরেক পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী ভাটারায় অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়ি থেকে মাদক-নারীসহ আটক ৮৪ নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুলে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু বিএম কলেজের বাস ও হোস্টেল সংকট সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন স্পিকার লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে গুরুতর সংকট মোকাবিলা করছে বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর শিবিরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৫৩ অনিয়ম দুর্নীতিতে জর্জরিত বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলঃ দুদকে অভিযোগ বরিশাল ইইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরূদ্ধে নিজেই ঠিকাদারী করার অভিযোগ বিএম কলেজে আপত্তিকর অবস্থায় বহিরাগত তরুণ তরুণী আটক

বরিশাল র‌্যাবের অভিযানে ঢাকায় জেএমবির দুই সদস্য গ্রেফতার

ডেক্সরিপোর্ট:রাজধানীর মিরপুর ও দোহার জয়পাড়া এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে বরিশাল র‌্যাপিট এ্যকশন ব্যটেনিয়ন (র‌্যাব-৮)।

র‌্যাব-৮ এর পৃথক দল অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাতে তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা হলেন- মো. আজিজুল হক ওরফে আজিজ (২৫) ও মুফতি আব্দুল হাকিম (৩৭)।

শুক্রবার (২৬ জুলাই) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞতিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরিশাল র‌্যাব সদর দফতর।

জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেএমবির এই দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়- তারা দু’জনই জেএমবির দাওয়াতি শাখার সক্রিয় সদস্য। বরিশাল ও ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ডের জন্য সদস্য সংগৃহ করে থাকে।

আজিজ ছাত্র অবস্থায় আতিকুর রহমান বাবু ওরফে শাওন, নাজমুল, মাইনুদ্দিন ওরফে আলী হোসেন, আল আমিন ও হাসানদের মাধ্যমে উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ডে উদ্ভুদ্ধ হয় এবং পরবর্তীতে উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। আজিজ একাধিকবার কর্মী সংগ্রহের জন্য ঢাকা গমন করে এবং পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন স্থানে জেএমবির দাওয়াত শাখার সদস্য হিসেবে কর্মী সংগ্রহের কাজ করে আসছেন।

আজিজুল হক ওরফে আজিজ গ্রাফিক্স এবং আইটি বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং কাজের ছদ্ধবেশে দীর্ঘদিন উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন।

অপর গ্রেফতার মুফতি আব্দুল হাকিম জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তিনি জেএমবির সক্রিয় সদস্য। তিনি ২০০২ সালে কওমিয়া মাদরাসা, জাজিরা শরীয়তপুর, ২০০৩-২০০৭ সাল পর্যন্ত জামিয়াতুল সুন্নাহ, মাদারীপুরের শিবচরে লেখাপড়া করে। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ঢাকায় এসে কওমী মাদরাসা ফরিদাবাদে লেখাপড়া করে।গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এ ছাড়া তাদের বক্তব্যে সহযোগী হিসেবে যাদের নাম উঠে এসেছে তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।