অনলাইন ডেস্ক বিধানসভা নির্বাচনের আগ মুহূর্তে বিজেপিবিরোধী জোট গড়ার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এ বিষয়ে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, শারদ পাওয়ার, অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ প্রায় বিরোধী নেতাকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
২৮ মার্চ লেখা সেই চিঠি বুধবার প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভার চলমান ধাপের ভোট শেষ হলেই এ বিষয়ে কৌশল ঠিক করা দরকার বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তৃণমূল নেত্রী।
কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার, ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিন, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, শিবসেনা নেতা ও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী ও জেএমএম নেতা হেমন্ত সোরেন, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল, বিজেডি নেতা ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক, অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন মোহন রেড্ডি, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতির নেতা ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও, ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লাহ, পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি এবং সিপিআই (এমএল) নেতা দীপংকর ভট্টাচার্যকে
মমতা এই চিঠি পাঠিয়েছেন।
সিপিআই, সিপিএমসহ পশ্চিমবঙ্গের বাম ফ্রন্টের কোনো নেতাকেই চিঠি পাঠাননি তিনি। এছাড়া বহুজন সমাজ পার্টির নেত্রী মায়াবতীকেও পাঠানো হয়নি।
চিঠিতে মমতা লিখেছেন, বিজেপি দেশে একদলীয় স্বৈরতান্ত্রিক শাসন জারি করতে চাচ্ছে। গণতন্ত্র ও সংবিধানের ওপর আঘাত রুখে দেশবাসীকে এক বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প দেওয়ার সময় এসে গেছে। ভোট শেষ হলেই বিজেপিকে রুখতে সবার একসঙ্গে বসে কৌশল ঠিক করা দরকার।
সে জন্য সব সমভাবাপন্ন দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ে প্রস্তুত তিনি।
বিরোধী নেতাদের উদ্দেশে মমতা বলেন, এসবের একটাই লক্ষ্য। সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিয়ে বিরোধীদের জীবন অতিষ্ঠ করে তোলা। নির্বাচিত রাজ্য সরকারের সব অধিকার কেড়ে নিয়ে তারা সেগুলোকে পুরসভায় পরিণত করতে চায়।
এককথায়, তারা গোটা দেশে একদলীয় স্বৈরতান্ত্রিক শাসন জারি করতে চাইছে। এর বিরুদ্ধে একজোট হয়ে কার্যকর সংগ্রাম গড়ে তোলাই সময়ের দাবি।