সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:১৮
শিরোনাম :
বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয় বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ জাতীয় দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট হিসেবে যোগ দিলেন আহমেদ বায়েজিদ মঠবাড়িয়ায় চোরের হামলায় অটো চালক জখম বরিশাল পেশাজীবী ফোরামের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী আরাগচি-গালিবাফকে হত্যার ছক ইসরায়েলের, ইরানকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ুগত কারণে জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার শঙ্কা বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ

দাম বেশি হলেও হাতীবান্ধায় জমতে শুরু করেছে কোরবানীর পশুর হাট

কাজী শাহ্ আলম,হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধিঃ দিন যতই ঘনিয়ে আসছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় কোরবানীর পশুর হাট গুলো তথই জমে উঠেছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে ভারতীয় পশুর আমদানী নেই। তাই পশুর দাম একটু বেশি বলে ক্রেতাদের ধারনা।

সরজমিনে উপজেলার হাতীবান্ধাহাট, বড়খাতা ও দইখাওয়া প্রধান ৩টি পশুর হাট ঘুড়ে জানা গেছে, পশু আমদানী কম, দাম বেশি হলেও ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে পশুর হাট। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে ভারতীয় পশুর আমদানী নেই। উপজেলার সর্বত্র হাটে দেশি পশু (গরু, ছাগল) আমদানী হচ্ছে। চোঁখে পরেনি কোন ভারতীয় গরু। ক্রেতাদের ধারনা হাতীবান্ধা উপজেলার কোন সিমান্ত দিয়ে এবারে ভারতীয় গরু চোরাচালনে আসছে না, তাই গরুর দাম একটু বেশি।

অপরদিকে গরু খামারি তছির উদ্দিন বলেন, গত বছর সিমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু পাচার হয়ে আশায় আমরা গরু খামারীরা লাখ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। এবারে গরুর দাম একটু বেশি হওয়ার কারনে গত বছরের ক্ষতি এবারে পুষিয়ে নিতে পারবো বলে আশা করছি।

হাতীবান্ধা সদর হাটে ক্রেতা আবুল হোসেন ও হাসমত আলীর সাথে কথা বলে জানাগেছে, এবারে শুধুমাত্র দেশী পশু আমদানী হচ্ছে। এজন্য ক্রেতাদের অনেকেরই পছন্দ মতো পশু মিলছে না এবং গত বছরের তুলনায় দামেও বেশি। অপর দিকে এখনও সময় আছে কোরবানীর পশু কেনার তাই ক্রেতারা শুধু পছন্দমত পশুর খোঁজ খবর রাখছে।

এসময় গরু ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক ও নজরুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য বছরে দেশী বিদেশী পশু আমদানী হওয়ায় ক্রেতাগণ নিজেদের পছন্দনীয় পশু ক্রয়ে কোন রুপ অনিহা প্রকাশ করেনি। কিন্তু এবার ভিন্ন , দেশীয় পশু পরিমাপে ছোট এবং দামেও বেশী এ কারনে ক্রেতাদের ভীড় জমে উঠলেও ক্রয়-বিক্রয় খুবই কম হচ্ছে। কোরবানী করার ইচ্ছা সামর্থ থাকলেও অনেকেই পশু দেখে মুখ ফিরে নিচ্ছে। তাদের ধারনা এখনও পশু কেনার সময় আছে। আমদানী বাড়লে এলাকার ৭০ ভাগ মানুষ কোরবানী করতে পারে বলে আশা করছি।