মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৬:২৩
শিরোনাম :
সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব অটো চালক নাজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ, মুল হোতাদের দ্রুত গ্রেফতার চায় এলাকাবাসী সততার কারণে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে বছরে দুই বার বদলি বিআরটিসির কর্মকর্তা জামিল! হামলা হলে ৭ দেশের এআই ও তেল স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেবে ইরান সৌদির বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা ১৩৫ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ২০ হাজার ৬৭২ যাত্রী

নামেই যুদ্ধবিরতি, ফিলিস্তিনিদের গণগ্রেফতার অব্যাহত

অনলাইন ডেস্ক  ফিলিস্তিন প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সঙ্গে টানা ১১ দিন সংঘাতের পর ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে। তবে নাম মাত্রই যুদ্ধবিরতি চুক্তি। ২১ যুদ্ধবিরতির পর থেকে দুই দিনে নতুন করে কমপক্ষে ২৫০ ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতার করেছে ইসরাইলি বাহিনী। ইহুদিবাহী দেশটির পুলিশ বৃহস্পতিবার শেখ জাররাহ এলাকা থেকে এক নারী ফিলিস্তিনি সাংবাদিকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করে।

এছাড়া ওয়াদি আরা ও কাফর মান্দায় ঘরবাড়িতে হানা দেয় ইসরাইলি পুলিশ। এরপর তার কয়েক ডজন যুবককে গ্রেফতার করে বলে জানা যায়।

সংবাদ মাধ্যম দ্য নিউ আরাবের বরাতে জানা যায়, ফিলিস্তিনিদের ধরপাকড় অভিযান এখনও অব্যাহত আছে। এরই অংশ হিসেবে সোম ও মঙ্গলবার ইসরাইলে ২৫০ জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতার করেছে ইসরাইলি বাহিনী। মানবাধিকার কর্মীদের মতে, ফিলিস্তিনিদের ওপর ইহুদিবাদী ইসরাইলের হামলার ঘটনা ঘটলেও তারা কোনো সাজা পায় না।

এদিকে ফিলিস্তিনিদের নিয়ে কাজ করা আইনি সহায়তা সংস্থা আদালাহ এর প্রধান হাসান জাবরিন বলেন, ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের ওপর অনাচার করছে। তারা পুরোপুরি রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই গাজার নাগরিকদের সঙ্গে এমনটা করছে ইসরাইলি পুলিশ। এর কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

ওয়াদি আরা ও কাফর মান্দা ছাড়াও নেগেভ এবং উম্ম আল-ফাহমেও গ্রেফতারি অভিযান চালিয়েছে ইসরাইলি পুলিশ। বেশিরভাগ যুবককে লোদ শহর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। ওই শহর থেকে কমপক্ষে ১৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গাজায় হামাসের সঙ্গে ইসরাইলি বাহিনীর সংঘাতে কমপক্ষে ২৫৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৬ জন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। অপরদিকে হামাসের রকেট হামলায় ১৩ ইসরাইলি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজন বিদেশি শ্রমিক ও দুইজন শিশু রয়েছে।