মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১০:২১
শিরোনাম :
সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব অটো চালক নাজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ, মুল হোতাদের দ্রুত গ্রেফতার চায় এলাকাবাসী সততার কারণে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে বছরে দুই বার বদলি বিআরটিসির কর্মকর্তা জামিল!

আবারও ইসরাইলি জাহাজে অস্ত্র বোঝাই করতে ইতালির বন্দরকর্মীদের অস্বীকৃতি

অনলাইন ডেস্ক  নির্যাতিত ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতী জানিয়ে ইসরাইলি জাহাজে আবারও অস্ত্র বোঝাই করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ইতালির বন্দর শ্রমিকরা।

ইতালি থেকে অস্ত্র নিতে গত ১৫ মে প্রথমবার ব্যর্থ হওয়ার পর গত মঙ্গলবার ইহুদিবাদী দেশটি আবারও এখান থেকে জাহাজে করে সমরাস্ত্র নেয়ার চেষ্টা করে। খবর আরব নিউজের।

কিন্তু এবারও বেঁকে বসেন ইতালির বন্দর শ্রমিকরা। ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় বন্দর রাভেন্নায় নোঙ্গর করা ইসরাইলি জাহাজটি অস্ত্র নিয়ে ইহুদিবাদী দেশটির আসদোদ বন্দরে যাওয়ার কথা ছিল।

ইতালির ওই বন্দরের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা মারসেলো সানতারেলি বলেন, ফিলিস্তিনের অধিকৃত গাজা উপত্যকা ও পশ্চিম তীরে অব্যাহতভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও যুদ্ধাপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। ফিলিস্তিনিদের ওপর চলছে দখলদার বাহিনীর বর্বর ও পাশবিক আগ্রাসন।

শরণার্থীশিবির, মিডিয়া হাউস, সাধারণ বাড়িঘর কিছুই রেহাই পাচ্ছে না। ইসরাইলের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

এ প্রতিবাদে সামিল হয়েছি আমরাও। ইসরাইলের কাছে অস্ত্রের চালান সরবরাহে সহযোগিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।

এর আগে গত ১৫ মে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ভর্তি কয়েকটি কন্টেইনার জাহাজে তুলে দেওয়ার ইতালির লিভোরনো শহরের বন্দর শ্রমিকদের বখশিস দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ সময় শ্রমিকরা জানাতে পারেন যে, এসব কন্টেইনারে অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে।

এসব ইসরাইলের বন্দরনগরী আশদোদে যাবে। এ দিয়ে নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বর হামলা চালানো হবে। বিষয়টি জানার পর পরই শ্রমিকরা সাফ জানিয়ে দেয়, যত অর্থই দেওয়া হোক না কেন এই অস্ত্র তারা জাহাজে তুলবে না তারা।

এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিরপরাধ ফিলিস্তিনিকে হত্যার কাজে ব্যবহৃত হবে জেনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এসব শ্রমিক। তাই নতুন করে ইসরাইলে আর অস্ত্র পাঠানোর বিরোধিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।