ডেস্করিপোর্ট কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মোঃ খাইরুল আলমের নের্তৃত্বে ঈদ-উল-আযহা’র পরে ২য় দিনের লকডাউন এবং কুষ্টিয়ায় সর্বাত্মক লকডাউনের ২৬তম দিনেও আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, পুলিশের চেকপোস্ট, টহল, মাইকিং, নজরদারি ও সচেতনতামূলক কর্ম তৎপরতা অব্যাহত আছে এবং বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন প্রতিপালন করা হচ্ছে। বিট পুলিশিং কার্যকর করার ফলে জেলা পুলিশ কুষ্টিয়া প্রত্যেকটি ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা পর্যন্ত লকডাউন বাস্তবায়নসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ জনগনকে বেশী মাত্রায় অংশ গ্রহন করাতে পারছে।

শনিবার (২৪ জুলাই) জেলা পুলিশ কুষ্টিয়া সকাল ৬ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত প্রতিদিন ৭ থানার পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় বিট অফিসার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে কুষ্টিয়ায় সর্বাত্মক লকডাউনের ২৬তম দিন কার্যকর করে জনগণকে ঘরে রাখার ব্যাপারে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক লোকের মাঝে নির্ভেজাল পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে দেশে ৬৯১২টি বিট পুলিশিং কার্যালয় স্থাপন করছেন এবং তারই অংশ হিসেবে কুষ্টিয়া জেলায় ৮৫টি বিট পুলিশিং কার্যালয় স্থাপন করে প্রত্যেকটি কার্যালয়ের জন্য ১ জন এসআই, ১ জন এএসআই, ২ জন কনস্টেবল কর্মরত আছে। করোনা মহামারী কালে দেশের সকল থানা,পুলিশ ক্যাম্প ও ফাঁড়ির পাশাপাশি ৬৯১২টি বিট পুলিশিংকে কাজে লাগাতে পারলে আইন শৃঙ্খলার র্যাডিক্যাল উন্নয়ন হবে এবং লকডাউন প্রতিপালনসহ দেশের সকল ক্রান্তিলগ্নে বিট পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।

কুষ্টিয়ায় লকডাউনের ২৬তম দিনেও সরেজমিনে উপস্থিত থেকে কুষ্টিয়ায় লকডাউন প্রতিপালনে জনগণকে বাধ্য করতে মুক্ষ্য ভুমিকা পালন করেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ), মোঃ ফরহাদ হোসেন খাঁন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা), মোঃ রাজিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভেড়ামারা সার্কেল মোঃ ইয়াছির আরাফাত, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আজমল হোসেন, ইন্সপেক্টর তদন্ত কুষ্টিয়া মডেল থানা, ওসি কুমারখালী, ওসি খোকসা, ওসি ভেড়ামারা,ওসি দৌলতপুর, ওসি ইবি, ওসি মিরপুর, ওসি ডিবি, টি আই ২, জেলা পুলিশ কুষ্টিয়ার সকল বিট অফিসার ও ফোর্স।