সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৩:৩০
শিরোনাম :
মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি,দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের দারিদ্র্যতা,অনিশ্চিত আবাসন ও ভ্রাম্যমাণ জীবনে শিক্ষাবঞ্চিত বেদে শিশুরা আন্তর্জাতিক ভাষা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতলেন বিএম কলেজের রিফাত বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা

ডাকসুর পুনঃ তফসিল ও নতুন নির্বাচনের দাবিতে দ্বিতীয় দিনেও অনশন

ডেক্স রিপোর্ট: ডাকসুর পুনঃ তফসিল ও নতুন করে নির্বাচনের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে

দ্বিতীয় দিনেও অনশন করছেন শিক্ষার্থীরা। অসুস্থ হয়ে একজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নতুন করে যোগ দিয়েছেন আরও তিনজন। সেখানেই অনশনের সমর্থনে অঞ্জন দত্তের ‘বেলাবোস’ শিরোনামে গানের সুরে শিক্ষার্থীরা গাইছেন, ‘হ্যালো, এটা কি টু ফোর ফোর ওয়ান ওয়ান থ্রি নাইন, ভিসি স্যার আপনি শুনতে পাচ্ছেন কি…?’

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে অনশনে বসেন চার শিক্ষার্থী। পরে যোগ দেন তাঁদের সঙ্গে আরও দুজন। রাত ১২টার দিকে রনি হোসেন নামের এক শিক্ষার্থী অনশন ছেড়ে চলে যান। আর রাত দুইটার দিকে নতুন করে অনশনে যোগ দেন ভূতত্ত্ব বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তাহা আল মাহমুদ। রাতে ছয় অনশনকারীদের ঘুমানোর জন্য কাঁথা ও কম্বল এনে দেন সহপাঠীরা। বুধবার বেলা তিনটার দিকে অনশনরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েন অনিন্দ্য মণ্ডল। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে।

বুধবার দুপুরের পর অনশনকারীদের সঙ্গে যোগ দেন আরও দুজন। তাঁরা হলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতকোত্তরের মিম আরাফাত ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের রবিউল ইসলাম। রবিউল দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও ডাকসু নির্বাচনে সমাজসেবা পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। আর আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে নির্বাচনে অংশ নেন মিম আরাফাত মানব।

সন্ধ্যায় রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে দেখা যায়, পাটিতে বসে বই পড়ছেন সাত অনশনকারী। আশপাশে ভিড় করে বসে আছেন সমর্থনকারীরা। গরমের কারনে পাখা দিয়ে পালাক্রমে অনশনকারীদের বাতাস করছেন তাঁরা। পাশেই অনশনের সমর্থনে বসে গান গাইতে দেখা গেল কয়েকজনকে। অঞ্জন দত্তের ‘বেলাবোস’ শিরোনামের গানের সুরে গাইছেন, ‘হ্যালো, এটা কি টু ফোর ফোর ওয়ান ওয়ান থ্রি নাইন, ভিসি আপনি শুনতে পাচ্ছেন কি…।’ বাউলশিল্পী শাহ আলম সরকারের ‘দিল না’ গানের সুরে গাইছেন, ‘দিল না দিল না/ ভিসি ডাকসু দিল না/ এত যে নিঠুর ডাকসু জানা ছিল না।’ প্ল্যাকার্ডে লেখা, ‘সেলুকাস এই শিক্ষকদের কাছেই শুনতে হয় নীতিবাক্য।’

অনশনকারী মিম আরাফাত  বলেন, ‘আমাদের রড, হাতুড়ি, সরকারের মদদ নাই। দাবি পূরণেরও সম্ভাবনা নাই। তারপরেও অনশন করে যাব। ডাকসুর ভোট কারচুপি হয়, শিক্ষকেরা সহায়তা দেন। আমরা আন্দোলন করেও এর সমাধান পাই না। এটা আমাদের ব্যর্থতা। সে ব্যর্থতা নিয়ে বাঁচার চাইতে মরে যাওয়াই ভালো।’

মঙ্গলবার থেকে অনশন করছেন ডাকসুর ভোটার রাফিয়া তামান্না। তিনি বলেন, ‘ভোট চুরিতে সহায়তা করে শিক্ষকেরাই বলছেন ভোট সুষ্ঠু হয়েছে। তাঁরা যদি এমন মিথ্যা বলেন, তাহলে সম্মান দেখানোর আর জায়গা থাকে না।’