রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ২:৫৪
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

বরিশালে লাখ টাকায়ও দুটি মাছ বেচলেন না শিকারি

শামীম আহমেদ  শৌখিন মাছ শিকারি নাছিম শরিফের বড়শিতে বিশালাকৃতির দুটি মাছ ধরা পড়ে। বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ও রাতে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাসাগর দিঘিতে ধরা পড়েছে দুটি বিগহেড কার্প মাছ। বড়শিতে ধরা পড়া বড় বিগহেড কার্প মাছটির ওজন ৩৩ কেজি। তুলনামূলক ছোট অন্য মাছটির ওজন ১৯ কেজি। নাছিম শরিফ মাছ দুটির ছবি তুলে তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন।

ছবি দেখে বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কয়েকজন ব্যবসায়ী তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। তারা মাছ দুটি কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে এক লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেন। তবে নাছিম শরিফ মাছটি বিক্রি না করে কেটে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন। নাছিম শরিফ বরিশাল সদর উপজেলার কলসগ্রাম (ছয় মাইল) এলাকার বাসিন্দা। শখ করে বিভিন্ন স্থানে টিকিট কিনে তিনি বড়শি দিয়ে মাছ ধরেন। বুধবার সকালে দুইদিনের জন্য পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কিনে দুর্গাসাগর দিঘিতে বড়শি ফেলেন।

এ সময় সোহেল জমাদ্দার নামে তার এক বন্ধু সঙ্গে ছিলেন। কয়েক দফায় বড়শি ফেললেও কোনো মাছ বড়শিতে ধরা পড়েনি। বিকেল ৩টার দিকে বড়শিতে টান পড়ে। ওই সময় ১৯ কেজি ওজনের বিগহেড কার্প মাছটি প্রথমে ধরা পড়ে। সন্ধ্যার দিকে বড়শিতে হ্যাঁচকা টান পড়ে। বড় কিছু টোপ গিলেছে বোঝা যায়। তবে কোনোভাবে মাছটি বড়শিতে আটকে রাখা যাচ্ছিল না। পরে তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন আরও কয়েকজন। কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে মাছটি তীরে ওঠানো হয়। মাছ দুটি দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করেন।

নাছিম শরিফ বলেন, শখ করে মাছটি ধরেছি। এতো বড় মাছ পাওয়া অবশ্যই ভাগ্যের ব্যাপার। লাখ টাকার বেশি দিলেও মাছটি বিক্রি করা সম্ভব ছিল না। পরে কেটে মাছটি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছি। মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল কার্যালয়ের কর্মকর্তা বিমল চন্দ্র দাস বলেন, দুর্গাসাগর দিঘির মাছের আলাদা খ্যাতি রয়েছে। এ দিঘির মাছ খুবই সুস্বাদু বলে শুনেছি। বড় কোনো মাছ হলে তো কথাই নেই।