বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং, সকাল ১১:১৫
শিরোনাম :
তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: ইরান গৌরনদীতে একসাথে আড়াইহাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগৈলঝাড়া থানায় হামলাঃ দুই সাংবাদিককে আসামী করায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্বেগ সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ স্নাতক পর্যন্ত নারীশিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর বন্ধ বিটিএমএ’র কমিটি গঠন :সভাপতি হুমায়ুন,সম্পাদক শাহিন, অর্থ সম্পাদক: মামুন বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ

বরিশালে লাখ টাকায়ও দুটি মাছ বেচলেন না শিকারি

শামীম আহমেদ  শৌখিন মাছ শিকারি নাছিম শরিফের বড়শিতে বিশালাকৃতির দুটি মাছ ধরা পড়ে। বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ও রাতে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাসাগর দিঘিতে ধরা পড়েছে দুটি বিগহেড কার্প মাছ। বড়শিতে ধরা পড়া বড় বিগহেড কার্প মাছটির ওজন ৩৩ কেজি। তুলনামূলক ছোট অন্য মাছটির ওজন ১৯ কেজি। নাছিম শরিফ মাছ দুটির ছবি তুলে তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন।

ছবি দেখে বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কয়েকজন ব্যবসায়ী তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। তারা মাছ দুটি কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে এক লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেন। তবে নাছিম শরিফ মাছটি বিক্রি না করে কেটে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন। নাছিম শরিফ বরিশাল সদর উপজেলার কলসগ্রাম (ছয় মাইল) এলাকার বাসিন্দা। শখ করে বিভিন্ন স্থানে টিকিট কিনে তিনি বড়শি দিয়ে মাছ ধরেন। বুধবার সকালে দুইদিনের জন্য পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কিনে দুর্গাসাগর দিঘিতে বড়শি ফেলেন।

এ সময় সোহেল জমাদ্দার নামে তার এক বন্ধু সঙ্গে ছিলেন। কয়েক দফায় বড়শি ফেললেও কোনো মাছ বড়শিতে ধরা পড়েনি। বিকেল ৩টার দিকে বড়শিতে টান পড়ে। ওই সময় ১৯ কেজি ওজনের বিগহেড কার্প মাছটি প্রথমে ধরা পড়ে। সন্ধ্যার দিকে বড়শিতে হ্যাঁচকা টান পড়ে। বড় কিছু টোপ গিলেছে বোঝা যায়। তবে কোনোভাবে মাছটি বড়শিতে আটকে রাখা যাচ্ছিল না। পরে তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন আরও কয়েকজন। কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে মাছটি তীরে ওঠানো হয়। মাছ দুটি দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করেন।

নাছিম শরিফ বলেন, শখ করে মাছটি ধরেছি। এতো বড় মাছ পাওয়া অবশ্যই ভাগ্যের ব্যাপার। লাখ টাকার বেশি দিলেও মাছটি বিক্রি করা সম্ভব ছিল না। পরে কেটে মাছটি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছি। মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল কার্যালয়ের কর্মকর্তা বিমল চন্দ্র দাস বলেন, দুর্গাসাগর দিঘির মাছের আলাদা খ্যাতি রয়েছে। এ দিঘির মাছ খুবই সুস্বাদু বলে শুনেছি। বড় কোনো মাছ হলে তো কথাই নেই।