শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:৫৪
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হচ্ছে পুলিশ সদস্যদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটানো : এসপি খাইরুল আলম

ডেস্করিপোর্ট  বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যের পদমর্যাদা ভিত্তিক প্রশিক্ষণের আওতাভুক্ত নায়েক ও কনস্টেবলদের ‘ দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স ‘ এর ২য় ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শনিবার (২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯ টায় পুলিশ লাইন্স সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনানুযায়ী বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল হতে অতিরিক্ত আইজি পর্যন্ত প্রত্যেক পুলিশ সদ‌স্যের জন্য বছরে ন্যূনতম একবার প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা আরও বাড়বে।

পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া মোঃ খাইরুল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া প্রশিক্ষনার্থী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই বাস্তব প্রশিক্ষণ পুলিশ সদস্যদের সকল কাজে আত্নবিশ্বাসী করে তুলবে; ফলে পুলিশ সদস্য পরিকল্পিত ভাবে কম ক্ষয় ক্ষতির মাধ্যমে নিখুঁত ভাবে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে। এ জন্য পুলিশের প্রত্যেক সদস্যদের বছরে অন্তত একবার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া আরো বলেন, প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হচ্ছে পুলিশ সদস্যদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটানো এবং ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ পুলিশ বাহিনীর শৃঙ্খলা, শারীরিক সক্ষমতা ও সমগ্রীক উন্নয়ন ঘটবে।

বাংলাদেশ পুলিশের সকল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত কোর্সের বাইরে এ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে একযোগে এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। এ বছর ৬০ হাজার পুলিশ সদস্যের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী বছর ২ লাখ ১২ হাজার পুলিশ সদস্যদের প্রত্যেকের জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে।

প্রত্যেক পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের জন্য আলাদা আলাদা প্রশিক্ষণ কোর্স, মডিউল এবং প্রশিক্ষক থাকবেন। কনস্টেবল থেকে অ্যাডিশনাল আইজি পর্যন্ত সকল পুলিশ সদস্য এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করবেন।

২০৪১ সালের আধুনিক ও উন্নত দেশের উপযোগী পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এ প্রশিক্ষণ মাইলফলক হিসেবে সংযোজিত হবে।

উল্লেখ্য, কনস্টেবল হতে অতিরিক্ত আইজি পদমর্যাদার প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের বছরে এক সপ্তাহ প্রশিক্ষণ প্রাপ্তির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রশিক্ষণ কোর্স প্রস্তুত করা হয়েছে।

এএসপি এবং তদুর্ধ্ব কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ), সারদা, রাজশাহীতে, সাব-ইন্সপেক্টর হতে ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বিপিএ, টিডিএস, টিটিএস, এসটিএস, পিএসটিএস সহ সকল পিটিসি ও ডিএমপি ট্রেনিং একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

কনস্টেবল, নায়েক এবং এএসআই পর্যায়ের প্রশিক্ষণ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের তত্ত্বাবধানে ৫৫ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিপিএ, পিটিসি, সকল ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারসহ দেশের ১০৫টি পুলিশ ইউনিটের সকল পদমর্যাদার প্রশিক্ষণ একযোগে শুরু হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা বছর চলমান থাকবে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ড. এসএম ফরহাদ হোসেন, কমান্ডেন্ট (পুলিশ সুপার), ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার কুষ্টিয়া, মোঃ সাজ্জাদুর রহমান রাসেল, পুলিশ সুপার ,এস্টেট, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় ,খুলনা, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন ও অপরাধ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর মোঃ রাজিবুল ইসলাম, মোঃ হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার কুষ্টিয়া, আরওআই মোঃ শহীদুজ্জামান এবং ২য় ব্যাচের নায়েক ও কনস্টেবল পদমর্যাদার প্রশিক্ষনার্থীবৃন্দ