সোমবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ৩:২১
শিরোনাম :
বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয় বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ জাতীয় দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট হিসেবে যোগ দিলেন আহমেদ বায়েজিদ মঠবাড়িয়ায় চোরের হামলায় অটো চালক জখম বরিশাল পেশাজীবী ফোরামের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী আরাগচি-গালিবাফকে হত্যার ছক ইসরায়েলের, ইরানকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ুগত কারণে জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার শঙ্কা বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ

সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে, জীবদ্দশায় ওয়ারিশগণের জমির হিস্যা বুঝিয়ে দিতে হবে: সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদ রানা

ডেস্করিপোর্ট  ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরের সার্কেল এসপি মোঃ মাসুদ রানার সময়োপযোগী নানা পদক্ষেপে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ছে রাজাপুরের সাধারন নাগরিকরা।পাড়া মহল্লায় সামাজিক সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে তার নানামুখী পদক্ষেপ ব্যাপক ভাবে সাড়া জাগিয়ে তুলেছে।

রাজাপুরের সার্কেল এসপি মোঃ মাসুদ রানা জানান, বিগত ২০২১ সালের ২৪ আগস্ট তিনি রাজাপুরের সার্কেল এসপি হিসেবে যোগদান করেন।রাজাপুর ও কাঠালিয়া দুটি থানা মিলে রাজাপুর সার্কেল।প্রতি শুক্রবার রাজাপুর- কাঠালিয়া থানাধীন বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়ে মসজিদে আগত বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে তিনি এলাকার আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কথা বার্তা বলেন।

এ সময় তিনি মুসুল্লিদের উদ্দেশ্যে জমি জমার ভাগ বন্টন নিয়ে কথা বলেন।তিনি বলেন,অল্প একটু জমির জন্য দুই তিন জেনারেশন মামলা মোকদ্দমায় লড়ে তাও কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়েনা অথচ জমি নিয়ে দন্দ থাকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপন রক্তের কারো সাথে।

পিতা-মাতা জীবীত থাকা কালীন সময় যদি সন্তানদের মাঝে অন্তত লিখিত ভাবে যদি জমা জমার ভাগ বন্টন করে দেন তাহলে পরবর্তীতে জমি জমা নিয়ে মামলা মেকদ্দমা শতকরা ৫০ ভাগ কমে যাবে।

সার্কেল এসপি মাসুদ রানা বাবাদের উদ্দেশ্যে বলেন,পিতার সাথে সন্তানদের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।তাহলে একজন পিতা তার সন্তান কখন কোথায় যায়?কার সাথে মিশে? এ বিষয়ে ভালভাবে জেনে তার সন্তানকে তিনি ভাল পথের দিকে নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন।

সন্তান জুয়া কিংবা জঙ্গির সাথে যুক্ত হচ্ছে কিনা, হতাশায় ডুবছে কিনা, সন্তানকে নৈতিক, মুল্যবোধসম্পন্ন মানবিক মানুষ হিসেবে তৈরি করতে হবে।তাহলেই সন্তানদের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে।কারন আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ কান্ডারী।

তাই সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করা পিতা মাতার একান্ত কর্তব্য। সন্তান ঠিক মতো স্কুল কলেজে যায় কিনা?বাসায় বসে পড়ে কিনা? তার মোবাইলে কি আছে এটাও পিতা মাতার দেখা দরকার। তাহলেই আমরা একটা সুশিক্ষায় শিক্ষিত জাতি পাব।