বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ১১:০৮
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

গুলি চালানো পুলিশ সদস্যদের ছাড় দেওয়া হবে না: আসিফ

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যেসব পুলিশ সদস্য গুলি চালিয়েছেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

রোববার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুরাতন বার্ন ইউনিটে ভর্তি থাকা রোগীদের দেখতে যান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুই উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তারা ভর্তি থাকা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন ও চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় আর্থিক সহযোগিতা বাবদ প্রত্যেকের হাতে এক লাখ টাকার চেক তুলে দেন দুই উপদেষ্টা।

আসিফ মাহমুদ বলেন, জুলাই বিপ্লবে নিরস্ত্র সাধারণ ছাত্র-জনতার ওপর যেসব পুলিশ সদস্য গুলি চালিয়েছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তাদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

উপদেষ্টারা জানান, এদিন সারা দেশে ১৭৬ জনকে মোট ১ কোটি ৭১ লাখ ৪২ হাজার ৫০ টাকা সহায়তা দেয়া হয়েছে। ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’র পক্ষ থেকে উপদেষ্টারা এ সহায়তা দেয়া হয়।

আন্দোলনে হতাহতদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর ও ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে জানিয়ে তারা আরও জানান, ১৬০০০ নম্বরে সকাল ১০ থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কল করে সমস্যা ও সহায়তার কথা জানানো যাবে।

উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। সেই আন্দোলন দমাতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করে। এতে অসংখ্য ছাত্র-জনতা আহত হন। যদিও পরে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।