শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:১২
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

করোনাকালে বাংলাদেশে জন্ম নেবে ২৪ লাখ শিশু: ইউনিসেফ

ডেক্সরিপোর্ট  জাতিসংঘ শিশু তহবিল, ইউনিসেফের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে কভিড-১৯ মহামারি সময়ের মধ্যে প্রায় ২৪ লাখ শিশুর জন্ম হবে। আর বৈশ্বিকভাবে এর প্রভাবে জন্ম হবে প্রায় ১১ কোটি ৬০ লাখ শিশুর।

সবচেয়ে বেশি শিশুর জন্ম হবে ভারতে। সেদেশে জন্ম নেবে ২ কোটি এক লাখেরও বেশি শিশু। গত ১১ মার্চ কভিড-১৯ মহামারি হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার ৪০ সপ্তাহের মধ্যে এসব শিশুর জন্ম হওয়ার কথা বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রসূতি মা ও নবজাতকদের রূঢ় বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে। বিশ্বজুড়ে লকডাউনসহ নিয়ন্ত্রণমূলক নানা পদক্ষেপ; মহামারি সামলাতে চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রগুলোর হিমশিম অবস্থা ও সরঞ্জামের ঘাটতি এবং ধাত্রীসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা কোভিড-১৯ রোগীদের সেবাদানে নিয়োজিত থাকায় শিশুর জন্মের সময় দক্ষ লোকবলের ঘাটতি থাকবে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি তোমো হোযুমি বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা/হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ সত্ত্বেও অন্তঃসত্ত্বা মা ও নবজাতকের জীবনরক্ষাকারী রুটিন সেবাসমূহ যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা মেনে অব্যাহত রাখা দরকার।

একই সঙ্গে অনাগত মাসগুলোতে অন্তঃসত্ত্বা মা ও অসুস্থ নবজাতকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমে জীবনরক্ষায় সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করছে ইউনিসেফ।

আগামী ১০ মে মা দিবস। বিশ্বের ১২৮টিরও বেশি দেশে এই দিবসটি স্বীকৃত। এর আগেই ইউনিসেফ সতর্ক করছে যে, কভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপগুলো শিশুর জন্মকালীন সেবার মতো জীবনরক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নিত করতে পারে। যা লাখ লাখ অন্তঃসত্ত্বা মা ও তাদের সন্তানদের বিরাট ঝুঁকিতে ফেলবে।

আশা করা হচ্ছে, ভারত (দুই কোটি এক লাখ), চীন (এক কোটি ৩৫ লাখ), নাইজেরিয়া (৬৪ লাখ), পাকিস্তান (৫০ লাখ) ও ইন্দোনেশিয়া (৪০ লাখ) সবচেয়ে বেশি শিশু জন্ম নেবে মহামারি ঘোষণার পর নয় মাসে। ২৪ লাখ শিশুর প্রত্যাশিত জন্ম নিয়ে গত ১১ মার্চ মহামারি ঘোষণার পর থেকে পরবর্তী নয় মাসে সর্বাধিক শিশু জন্মের দিক দিয়ে বিশ্বে নবম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

এদিকে শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ১৩৪ জনের শরীরে। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২০৬ জন এবং সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ২১০১ জন।