রবিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ২:১১
শিরোনাম :
সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ স্নাতক পর্যন্ত নারীশিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর বন্ধ বিটিএমএ’র কমিটি গঠন :সভাপতি হুমায়ুন,সম্পাদক শাহিন, অর্থ সম্পাদক: মামুন বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মামুন-অর-রশিদ : সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নিবেদিত যাত্রা স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উত্ত্যক্ত করায় ৪ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আটক বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয়

যশোরে চরমপন্থী সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

ডেক্সরিপোর্ট  যশোর জেলার অভয়নগরে প্রতিপক্ষ গ্রুপের হামলায় আতিয়ার রহমান আতাই নামে এক চরমপন্থী সদস্য নিহত হয়েছেন। সোমবার গভীর রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পুলিশের দাবি, হত্যার বদলা নিতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। নিহত আতিয়ার রহমান অভয়নগর উপজেলার মোয়াল্লেমতলা গ্রামের মৃত শেখ ইসমাইলের ছেলে।

অভয়নগর থানার ওসি তাজুল ইসলাম জানান, শেখ আতিয়ার রহমান নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য। তার শ্যালক গিয়াস উদ্দিন ছিল তার নেতা। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০১৪ সালে খুলনার ফুলতলা বাজারে চরমপন্থী নেতা নিশান খুন হয়। নিহতের পরিবার মামলা না দেয়ায় ওই ঘটনায় আতিয়ার ও তার শ্যালক গিয়াস উদ্দিনের নামে মামলা করে পুলিশ। এরপর তারা দুজনই ভারতে পালিয়ে যান। স্বাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে খালাস পাওয়ায় আতিয়ার এক বছর আগে দেশে ফিরে আসেন এবং নওয়াপাড়ার জেজেআই জুট মিলে বদলি শ্রমিকের কাজ করে জীবনযাপন করেছিলেন।

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আতিয়ার তার নিজ বাড়ির সামনে হামলার শিকার হন। নিহত চরমপন্থী নিশানের খালাতো ভাই লিমন ও তার দুই সহযোগী তাকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ওসি তাজুল ইসলাম আরও বলেন, স্থানীয়রা জানিয়েছে চরমপন্থী নেতা নিশানকে ২০১৪ সালে ১৭ রোজার দিন হত্যা করা হয়। গতকালও ছিল ১৭ রোজার দিন এবং এদিনেই আতিয়ারকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়। মূলত নিশান হত্যার প্রতিশোধ নিতেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে আসামিদের ধরতে অভিযান শুরু হয়েছে। এছাড়া মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি।