মঙ্গলবার, ২০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ৯:২৭
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বরিশালে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন স্বৈরাচার অর্থ সরবরাহ করছে, আরেক পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী ভাটারায় অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়ি থেকে মাদক-নারীসহ আটক ৮৪ নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুলে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু বিএম কলেজের বাস ও হোস্টেল সংকট সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন স্পিকার লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে গুরুতর সংকট মোকাবিলা করছে বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর শিবিরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৫৩ অনিয়ম দুর্নীতিতে জর্জরিত বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলঃ দুদকে অভিযোগ বরিশাল ইইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরূদ্ধে নিজেই ঠিকাদারী করার অভিযোগ বিএম কলেজে আপত্তিকর অবস্থায় বহিরাগত তরুণ তরুণী আটক

পটুয়াখালীতে নেশার টাকা না দেয়ায় নেশাখোর ছেলের কোপে বাবা-মা সহ আহত ৫

ডেক্সরিপোর্ট: পটুয়াখালীর বাউফলে নেশার টাকা না দেয়ায় রামদা দিয়ে কুপিয়ে পাঁচজনকে জখম করেছে নেশাখোর ছেলে বাবুল হাওলাদার। মুমূর্ষু অবস্থায় রফিক হাওলাদার ও বেল্লাল হাওলাদার কে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্যদের বাউফল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হচ্ছেন, বাবা আলম হাওলাদার (৫৫) মা মাকসুদা বেগম (৪৫) বোন শান্তা (১০) রফিক হাওলাদার (৩৫) বেল্লাল হাওলাদার (৪৩)। শুক্রবার বেলা ১১টায় উপজেলার কেশবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে ।

জানাগেছে, উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের আলম হাওলাদারের পুত্র বাবুল নেশার টাকা না দিলে প্রায়ই বাবা মাকে মারধর এবং ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করত। শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে বাবুল তার বাবা আলম হাওলাদারের কাছে নেশার জন্যে পাঁচশত টাকা চায়। তার বাবা এতে অস্বিকৃতি জানালে নেশাখোর বাবুল বাবা আলমকে বেধরক কিলঘুষি, লাথি মারতে থাকলে রক্ষা করতে মা দৌড়ে আসলে তাকেও রামদা দিয়ে দিয়ে পিটিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এসময় ছোট বোন শান্তা আসলে তাকেও পিটিয়ে আহত করে।

এ ঘটনায় বাড়ির চাচাতো ভাই রফিক ও বেল্লাল তাকে ধরে থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে এবং চর থাপ্পর মারে। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে দুপুরের পরে সঙ্গীয় শুভ, সৈকত ও জুয়েলের নের্তৃত্বে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে রফিক হাওলাদার (৩৫) এবং বেল্লাল হাওলাদার (৩৮) কে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।

পরে স্থানীয় লোকজন রফিক হাওলাদার বেল্লাল আলম, মাকসুদা বেগম ও শান্তাকে উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা।

দায়িত্বরত চিকিৎসক রফিক হাওলাদার ও বেল্লালের অবস্থা আশংঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। অন্যদের বাউফল স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা চলছে।

এবিষয়ে বাউফল মডেল থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে ।