শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:৫৭
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

দুর্নীতির অভিযোগে ফের তদন্তের মুখোমুখি গান্ধী পরিবার

 অনলাইন ডেস্ক  নানাবিধ আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ফের তদন্তের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে গান্ধী পরিবার।

গান্ধী পরিবারের সঙ্গে জড়িত তিনটি ট্রাস্টের বিরুদ্ধে বিশেষ তদন্ত করা হবে বলে বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

যে তিনটি ট্রাস্টের বিরুদ্ধে তদন্তের কথা বলা হয়েছে সেগুলো হলো, রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন, রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট এবং ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্ট। খবর ডয়চে ভেলের।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, এই ট্রাস্টগুলো আইন ভেঙে বিদেশ থেকে টাকা নিয়েছে। আয়কর দেয়ার ক্ষেত্রেও গরমিল করেছে। এমনকী, টাকা নয়-ছয় বা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এনফোর্সমেন্ট ডিরোক্টোরেটের একজন স্পেশাল অফিসার তদন্ত করবে।

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা আরও বড় অভিযোগ করেছেন। তার বক্তব্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ প্রধানমন্ত্রী রিলিফ ফান্ড থেকেও এই সংস্থাগুলোকে টাকা পাইয়ে দিয়েছেন।

শুধু তাই নয়, ১৯৯১ সালে মনমোহন সিংহ যখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন, তখন বাৎসরিক বাজেটেও রাজীব গান্ধী ট্রাস্টের নামে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিলেন, যা বেআইনি। তার আগে বিজেপির অভিযোগ ছিল, চীনের কাছ থেকে রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন ৯০ লাখ টাকা পেয়েছে।

শুরু থেকেই কংগ্রেস এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। আর তদন্তের সিদ্ধান্তের পর রাহুল গান্ধী পাল্টা অভিযোগ করে বলেছেন, সরকার ভয় পেয়ে যাকে খুশি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আনছে।

কংগ্রেস মনে করে, এসব তদন্তের নামে লাদাখে ভারত-চীন সীমান্ত বিতর্ক থেকে বিজেপি মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতে চাইছে।