বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৩:৩৪
শিরোনাম :
সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব অটো চালক নাজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ, মুল হোতাদের দ্রুত গ্রেফতার চায় এলাকাবাসী সততার কারণে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে বছরে দুই বার বদলি বিআরটিসির কর্মকর্তা জামিল!

ভান্ডারিয়ায় তিন সন্তান হত্যার দায়ে পিতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ডেক্সরিপোর্ট:পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় তিন সন্তানকে হত্যার দায়ে পিতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক এ রায় দেন।

সাজা পাওয়া ব্যক্তির নাম জাকির হোসেন (৪৯)। তিনি উপজেলার ধাওয়া নলকাটা গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় জাকির আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন কানাই লাল বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।সরকারপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) জহুরুল ইসলাম।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৯ অক্টোবর দুপুরে জাকির তাঁর স্ত্রী লিপি বেগম (৩০), ছেলে সোহাগ হাওলাদার (১৪) ও ইমরান হাওলাদার (৮) এবং মেয়ে সুলতানা আক্তারকে (৬) দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। এ সময় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করতে গিয়ে জাকির দায়ের কোপে বড় ভাই আবুল হোসেনও জখম হন।

স্থানীয় লোকজন লিপি, সোহাগ, ইমরান, সুলতানা ও আবুলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমরান ও সুলতানাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গুরুতর অবস্থায় লিপি ও সোহাগকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্থান্তর করা হয়। পরে সেখান থেকে সোহাগকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোহাগ মারা যায়।

এ ঘটনায় আবুল হোসেন ছোট ভাই জাকিরের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। এর আগে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় জাকিরকে আটক করে পুলিশ। ২০১৩ সালের ২৫ মার্চ পুলিশ জাকিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। মামলার ১৩ জনের সাক্ষ্য নেন আদালত।