সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, সকাল ৭:৫৩
শিরোনাম :
কোলের সন্তান বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস, থাকতে পারে আরও পাঁচ দিন তুরস্কের পর কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল পাকিস্তান বরিশাল জেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত সুদানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় শিশুসহ নিহত ২৭ নরসিংদীতে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য-অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৩৭ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন

রাবিতে যৌন হয়রানির ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) দুই শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে এই প্রতিবাদ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বিভাগের অভিযুক্ত শিক্ষক অধ্যাপক বিষ্ণু কুমার অধিকারীকে বয়কট করার আহ্বান জানান তারা। একই সাথে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানান। কর্মসূচীতে ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বর্ষের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ইনস্টিটিউটের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী আতিফা হক বলেন, ‘ইনস্টিটিউট যে তদন্ত কমিটি করেছে তার প্রতিবেদন এখনো জমা দেয়া হয় নি। এ রকম বিষয়ে বিলম্ব করলে সেটা ধামাচাপা পড়ে যায়। আমরা চাই না এটা ধামাচাপা পড়ে যাক। আমরা এর দ্রুত বিচার চাই।’

যৌন হয়রানি ও তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক লায়লা আরজুমান বানু বলেন, ‘ইনস্টিটিউট একটি তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করেছে। তদন্ত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন জমা দিবে। তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন ব্যবস্থা নিবে। পরবর্তিতে যদি ওই প্রতিবেদন নিয়ে কোনো সমস্যা হয়। তাহলে নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।’

গত ২৫ ও ২৭ জুন ইনস্টিটিউটের শিক্ষক বিষ্ণু কুমার অধিকারীর বিরুদ্ধে দুই শিক্ষার্থী উত্ত্যক্ত ও যৌন হয়রানির লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর ২ জুলাই অভিযোগ আমলে নিয়ে ইনস্টিটিউটের সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে ওই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়।