বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ ইং, রাত ১১:০৪
শিরোনাম :
ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পরও গুলির আঘাতে ভুগছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায়! বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক দুমকিতে শ্রী-শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ১০১ সদস্যের প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন বরিশালে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়,কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেলেন ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মে দিবসে জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

বানারীপাড়ায় চার মাস ধরে শেষ ঠিকানায়ও পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক  জন্মিলে মরিতে হবে, এটাই চিরন্তন সত্য বাণী। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের শেষ বিদায়ের ঠিকানাও একই। ধনী গরিব সবাইকেই সাদা কাপড় পরে সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে অন্তিম শয়নে শায়িত হতে হয়।

তবে সেই শেষ বিদায়েও মানুষের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই। গত আম্ফান থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর শহরের বেশিরভাগ অংশে পানি জমেছে। বর্তমানে উপজেলার ৮১টি গ্রাামের অনেকাংশ রয়েছে পানির নিচে।

পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডেরও একই অবস্থা। যদিও জোয়ারে পানি ওঠে ভাটায় নেমে যাচ্ছে। তার পরেও যে স্থানগুলোতে পানি উঠলে নামার কোনো ব্যবস্থা নেই। সেখানকার পরিবারগুলো প্রায় চার মাস পর্যন্ত পানিবন্দি হয়ে আছে। যা থেকে উত্তরণের কোনো পথই পাচ্ছেন না ওই পরিবারগুলো।

অনেকেই জানান, পৌরশহরের প্রায় সবগুলো সরকারি খাল প্রভাবশালী মহল বা তাদের মদদে অন্যরা অনেক আগেই ভরাট করে দখল করে নিয়েছেন। ফলে টানা বর্ষণ ও জোয়ারের প্রভাবে চরমভাবে পানিদুর্ভোগে পড়েছেন পৌরসভার সাধারণ নাগরিকরা। উপজেলার সবগুলো এলাকায় একই অবস্থা বিরাজ করছে।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, স্থায়ীভাবে পানিবন্দি হওয়া বা জোয়ারে পানি ওঠে আর ভাটায় নেমে যায় এমন স্থানের পরিবারগুলোর মধ্য থেকে কোন সদস্য মারা গেলে তার শেষ বিদায়ের ঠিকানা কবর খুঁড়লেই ভেতরে পানি উঠে যাচ্ছে। এ অবস্থা প্রায় চার মাস ধরে।

এদিকে বানারীপাড়া সরকারি কবরস্থান ও শ্মশানেরও একই অবস্থা। এখানে বর্তমানে কোনো মানুষকে শেষ বিদায় দেয়ার মতো অবস্থা নেই।পানিদুর্ভোগের কারণে অনেককে কাঠের বাক্সের মধ্যে রেখেই শেষ বিদায় দেয়া হয়েছে।