শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৫:১৯
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

বরিশালে বাস-কাভার্ডভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্সের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ৬

ডেক্সরিপোর্ট  বরিশাল জেলার উজিরপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে ফেরার পথে বাস-কাভার্ডভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্সের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই অ্যাম্বুলেন্সের যাত্রী। দুর্ঘটনার পর অ্যাম্বুলেন্স কেটে তাদের লাশ বের করা হয়।

বুধবার বিকাল ৫টায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের আটিপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাউকাঠি এলাকার আরিফ হোসেন (৪০), তার মা কোহিনুর বেগম (৬০), আরিফের স্ত্রী শিউলি বেগম (৩৫), সদ্যপ্রসূত শিশু তামান্না (৩ দিন), আরিফের সহোদর মো. কাইয়ুম (৩৮) এবং অ্যাম্বুলেন্সের চালক মো. আলমগীর হোসেন (৩৮)। এছাড়া আরও এক ব্যক্তি নিহত হলেও তার কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি। পুলিশের ধারণা অজ্ঞাত ব্যক্তিটি চালকের সহকারী হতে পারে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে লাশ এবং তার আত্মীয়স্বজন নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটি ঝালকাঠি যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা গাজী রাইস মিলের একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় কাভার্ডভ্যানের পেছনে থাকা এমএম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস কাভার্ডভ্যানের উপর আছড়ে পড়লে এটি ত্রিমুখী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

উজিরপুর থানা পুলিশের ওসি জিয়াউল আহসান জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে আমরা মোট ৭টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছি। এরা সবাই অ্যাম্বুলেন্সের যাত্রী। এদের মধ্যে সদ্যপ্রসূত এক শিশুর লাশও রয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সে পাওয়া একটি কাগজ অনুযায়ী মৃতদের মধ্যে একজন ঢাকার উত্তরার সিনিসিন হাসপাতালে ভর্তি ছিল। গত ৬ সেপ্টেম্বর তিনি একটি সন্তানের জন্ম দেন।

অ্যাম্বুলেন্সে যে নবজাতক শিশুর লাশ পাওয়া গেছে তার শরীরে তেমন কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে হাসপাতালে থাকা অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। শিশু নবজাতকের লাশ নিয়ে ফেরার সময় অ্যাম্বুলেন্সটি দুর্ঘটনাকবলিত হয়।

ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশের উদ্ধার কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুর্ঘটনার পর দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্স কেটে লাশগুলো বের করা হয়। লাশগুলোর মধ্যে একজন নবজাতক শিশু, ২ জন নারী এবং ৪ জন পুরুষ। এদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।