বৃহস্পতিবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ১২:২০
শিরোনাম :
চরামদ্দিতে পেনশনের টাকায় গড়া স্বপ্নে আঘাতঃ বিষ প্রয়োগে তিন পুকুরের মাছ নিধন মুসলিম নিকাহ্ রেজিস্ট্রার কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে বরিশালের নবাগত জেলা রেজিস্ট্রারকে কে ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত এক স্বাচিপ নেতাকে হটিয়ে আরেক স্বাচিপ নেতাকে আনলো ড্যাব! জালীলুল কুরআন মাদ্রাসায় হাফেজদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স শেষে সার্টিফিকেট বিতরণ যুবলীগ নেতা,নতুন পরিচয়ে ভিন্ন কায়দায় চাঁদাবাজির রামরাজত্ব কায়েমের চেষ্টা সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: তথ্যমন্ত্রী আগস্টের মধ্যেই বাস্তবায়িত হচ্ছে নতুন পে-স্কেল হুথিরা কোথা থেকে হামলা চালাচ্ছে খুঁজে পাচ্ছে না সৌদি আরব আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী

কাতারের বিরুদ্ধে সৌদি জোটের অবরোধ প্রত্যাহার হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক  যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অবশেষে কাতারের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের দীর্ঘ তিন বছরের অবরোধের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এ অবরোধ প্রত্যাহার হতে পারে বলে বুধবার ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ সংক্রান্ত আলোচনায় এরই মধ্যে অগ্রগতি হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে নমনীয়তাও দেখা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক শীর্ষ কূটনীতিক ডেভিড শেনকার অবশ্য জানিয়েছেন, আলোচনায় এখনও এমন কোনো মৌলিক পরিবর্তন হয়নি; যাতে করে দ্রুত সমাধানের দিকে অগ্রসর হওয়া যায়।

এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ ইস্যুতে ডেভিড শেনকার বলেন, আমি পুরো কূটনৈতিক আলোচনায় যেতে চাই না। তবে কিছুটা অগ্রগতি তো হয়েছেই। আমার মনে হয়, অবরোধ উঠে যেতে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারে সৌদি আরবের আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ ইরানের বিরুদ্ধে একটি ঐক্যবদ্ধ ফ্রন্ট গঠনের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সৌদি জোটের কাতারবিরোধী অবরোধে ওই চেষ্টায় ফাটল ধরে।

তেহরানের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ হওয়ার বদলে দোহার মতো প্রভাবশালী মিত্রের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে রিয়াদ। এমন বাস্তবতায় সৌদি জোটের কাতারবিরোধী অবরোধ তুলে নেয়ার ব্যাপারে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেয় যুক্তরাষ্ট্র ও কুয়েত। দৃশ্যত ওই মধ্যস্থতা সফল হচ্ছে বলে ধরে নেয়া যায়।

ওয়াশিংটন মনে করে এ অঞ্চলে তার মিত্রদের মধ্যে বিবাদ ইরানকেই লাভবান করবে। ফলে যে কোনো মূল্যে নিজের মিত্রদের ইরানবিরোধী একই প্ল্যাটফরমে রাখতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন।