শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬ ইং, সকাল ৭:৫৫
শিরোনাম :
মানসিক ভারসাম্য হারাচ্ছেন ধর্ষণের অভিযোগে ফাঁসানো সেই ফেনীর ইমাম নৈশভোজে ট্রাম্পের খাবারের মেনুতে ছিল গরুর পাঁজরের মাংসসহ বেইজিং হাঁসের রোস্ট রুপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপে সংঘাত-রক্তপাত সমকামিতার দায়ে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল, কারাদণ্ড ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩৯টি মার্কিন বিমান ধ্বংস পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীর পানি,নিম্নাঞ্চল প্লাবিত পটুয়াখালীতে হানি ট্র্যাপে ফেলে প্রতারণা, বিএনপি ও যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার ট্রাম্পকে লাল গালিচায় রাজকীয় অভ্যর্থনা দিল চীন শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল রাশিয়া দায়িত্বশীল নেতৃত্বে কাউনিয়া থানায় ইতিবাচক পরিবর্তন, ওসি সনজিতের ভুমিকা প্রশংসিত!

ইরানে হামলার ছুতা খুঁজছেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলার অজুহাত খুঁজছেন বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ। বৃহস্পতিবার টুইটার অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

জাভেদ জারিফ বলেন, ইরাক থেকে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের জন্য মিথ্যা ও বানোয়াট অজুহাত সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার পরিষদ কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই না করে উল্টো বি-৫২ বোমারু বিমান উড়িয়ে এবং মধ্যপ্রাচ্যে প্রচুর পরিমাণে অস্ত্র পাঠিয়ে শত শত কোটি ডলার খরচ করছেন।

বৃহস্পতিবার পেন্টাগন ঘোষণা দিয়েছে, বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ সোমালিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাহার করে আনা হয়েছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে এটি সেখানে মোতায়েন করা হতে পারে।

আগামী ৩ জানুয়ারি ইরানের জেনারেল সোলাইমানি হত্যার বছরপূর্তি উপলক্ষে দেশটির নেতাদের প্রতিশোধ নেয়ার হুঙ্কারে মধ্যপ্রাচ্যে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র। কারণ ইরানের নেতারা সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার একজন উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, মার্কিনিদের নতুন বছরে সকালের স্বাদ আস্বাদন করতে দেয়া হবে না।

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসির কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই। পশ্চিম এশিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতেই হবে।